সিটিনিউজবিডি : চট্টগ্রাম বন্দর থেকে গুদামে নেওয়ার সময় চুরি যাওয়া এক কভার্ডভ্যান জিরা নগরীর নিউমুরিং এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
চুরি হওয়া জিরা বিক্রির চেষ্টা করায় আবুল বারেক (৩০) নামের একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গ্রেপ্তার বারেক চাঁদপুরের শাহরাস্তি থানার তালুকদার বাড়ির মৃত আবুল কাশেমের ছেলে। বর্তমানে তিনি নগরীর পাহাড়তলী থানার শাপলা আবাসিক এলাকার সিরাজ ম্যানশনের বাসিন্দা।
শনিবার সকালে নগরীর বারিক বিল্ডিং মোড় এলাকায় চালক ও মালামাল ছাড়া শূন্য কভার্ডভ্যানটির সন্ধান পায় পুলিশ।
এ ঘটনায় করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বন্দর থানার এসআই শরীফুজ্জামান ভুঁইয়া বলেন, ঈদকে সামনে রেখে এম এস ট্রেডার্স নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান তুরস্ক থেকে চার হাজার ব্যাগ জিরা আমদানি করে। এর প্রতি ব্যাগে ২৫ কেজি করে জিরা ছিল।
জে কে শিপিং নামের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টকে এসব জিরা খালাসের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট জসিম উদ্দিন ভুঁইয়া দুই হাজার ব্যাগ জিরা নগরীর মাঝিরঘাটে কবির মাঝির গুদামে পৌঁছানোর জন্য নগরীর ফকিরহাটের বাদল ট্রান্সপোর্ট থেকে পাঁচটি কভার্ডভ্যান ভাড়া করেন।
এসআই শরীফুজ্জামান বলেন, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টায় বন্দরের এসটি ইয়ার্ড থেকে পাঁচটি কভার্ডভ্যান বের হয়।
এরমধ্যে চারটি কভার্ডভ্যান গুদামে পৌঁছালেও একটি পৌঁছায়নি।
ওই কার্ভাড ভ্যানের চালকের নাম নিজাম উদ্দিন। তাতে চারশ ব্যাগে মোট ১০ হাজার কেজি জিরা ছিল। যার বাজার মূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা।
এসআই শরীফুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা আবুল বারেকের সন্ধান পাই। যে জিরা বিক্রির চেষ্টা করছিল। ক্রেতা সেজে ফাঁদ পেতে তাকে ইপিজেড থানার নিউমুরিং এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করি।
এসময় বারেকের তথ্যে জাহিদ হাসানের গুদাম থেকে ৩৬৯ বস্তা জিরা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা জিরার বস্তার গায়ে ইমপোর্ট শিপিং মার্ক দেখে আমদানিকারক চিহ্নিত করেছেন এগুলোই চুরি যাওয়া জিরা, বলেন পুলিশ কর্মকর্তা শরীফুজ্জামান।
তিনি বলেন, ঈদের আগে বন্দরকেন্দ্রিক চোরচক্র পরস্পর যোগসাজশে এই ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।
গাড়ি চালক নিজাম উদ্দিনের হদিস মেলেনি। তার মোবাইলও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। কললিস্ট চেয়েছি। সেটা পেলে তার অবস্থান জানা যাবে।
