খেলাধুলা : অবশেষে জয়ের মুখ দেখলো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। সাব্বির রহমানের রাজশাহী কিংসকে ৩২ রানে হারিয়েছে কুমিল্লা। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শনিবার প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫২ রান করেছে কুমিল্লা। জবাবে ১৯ ওভারে ১২০ রানে অলআউট হয়ে যায় রাজশাহী।
রাজশাহীর হয়ে দারুণ লড়াই করেছেন মুমিনুল হক। তুলে নিয়েছেন ফিফটিও। বিপিএলে এটি তার তৃতীয় হাফ সেঞ্চুরি। রায়ান টেন ডেসকাটের বলে চার মেরে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মুমিনুল। আর ডেসকাটের কাছে পরাস্ত হন তিনি। ক্রিজ ছাড়ার আগে ৪৩ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৫৩ রান করেন বাংলাদেশ জাতীয় দলে টেস্ট স্পেশালিস্ট হিসেবে পরিচিত এই ক্রিকেটার। দলের অন্যতম ভরসার প্রতীক সাব্বির রহমান নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। রানের খাতা খোলার আগেই সোহেল তানভীরের বলে খালিদ লতিফের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। জুনায়েদ সিদ্দিকী ১০ রান করেই সাজঘরে পাড়ি জমান। এরপর উল্লেখ করার মতো ১২ রান এসেছে সামিত প্যাটেলের ব্যাট থেকে। রাজশাহীর বাকি ব্যাটসম্যানরা তো ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্কই।
কুমিল্লার পক্ষে তিন ওভার বোলিং করে ১৮ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট নিয়েছেন সোহেল তানভীর। ম্যাচসেরাও হয়েছেন পাকিস্তানি এই বোলার।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে এবারও শুরুটা ভালো হয়নি কুমিল্লার। দলীয় ১২ রানের মাথায় সাজঘরে ফিরে যান খালিদ লতিফ (৬)। দ্বিতীয় উইকেটে ২৯ রানের পার্টনারশিপ গড়ে চ্যাম্পিয়নদের ধকল সামলাম নাজমুল হোসেন শান্ত ও আহমেদ শেহজাদ। এই জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে পাকিস্তানি ক্রিকেটার শেহজাদকে (১১) প্যাভিলিয়নের পথ দেখান তিনি।
ড্যারেন স্যামির বিদায়ের আগে ৪০ বলে চারটি চারে ৪১ রান করেন তিনি। ইমরুল কায়েস ২৫ বলে পাঁচটি চারে ৩৪ রান করার পর রানআউটে কাটা পড়েন বাংলাদেশ জাতীয় দলের এই তারকা। পাঁচে ব্যাট করতে নামা মাশরাফি খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। ১০ বলে একটি চারে ১০ রান করেন কুমিল্লার অধিনায়ক। তিনি ধরাশায়ী রাজশাহীর অধিনায়ক ড্যারেন স্যামির।
রাজশাহীর পক্ষে সেরা বোলার ড্যারেন স্যামি। ৩৪ রান খরচায় ২ উইকেট নিয়েছেন তিনি। একটি করে উইকেট নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও ফরহাদ রেজা।
