বরিশালকে হারিয়ে কুমিল্লার জয়

0

খেলাধুলা : ঢাকার বিপিএলে ৩২তম ম্যাচে জয় পেয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। টুর্নামেন্টে নিজেদের দ্বিতীয় জয়টি পেতে মুশফিকের বরিশাল বুলসকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ভিক্টোরিয়ান্স।

প্রথমে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বরিশাল বুলস নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ১৪২ রান। জবাবে, এক ওভার বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ২ উইকেট হারানো কুমিল্লা।

বরিশালের হয়ে ব্যাটিংয়ের উদ্বোধন করতে নামেন ডেভিড মালান এবং দিলশান মুনাবেরা। কুমিল্লার হয়ে বোলিং আক্রমণ শুরু করেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে আসেন শাহদাত হোসেন রাজীব। প্রথম বলে ছক্কা হজম করলেও তৃতীয় বলে সরাসরি বোল্ড করেন মুনাবেরাকে। মুনাবেরা ফেরার আগে করেন ৭ রান।

এরপর ইনিংসের সপ্তম ওভারের প্রথম বলে বিদায় নেন আরেক ওপেনার ডেভিড মালান। ব্যক্তিগত ৯ রানে উইকেটের পেছনে লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি হন তিনি। মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের বলে বিদায় নেন এই ওপেনার। দলীয় ৪২ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেট হারায় বরিশাল। দ্বিতীয় উইকেট হারানোর পর জুটি গড়েন দলপতি মুশফিক আর জীবন মেন্ডিস। এই জুটি থেকে আসে ২২ রান। ইনিংসের দশম ওভারের চতুর্থ বলে নাবিল সামাদ বোল্ড করেন মেন্ডিসকে। দলীয় ৬৪ রানের মাথায় মেন্ডিস ফেরার আগে ২৪ বলে দুটি করে চার ও ছক্কায় করেন ২৮ রান।

ইনিংসের ১৩তম ওভারে বিদায় নেন শাহরিয়ার নাফিস। রশিদ খানের দুর্দান্ত এক ঘূর্ণিতে পরাস্ত হয়ে এলবির ফাঁদে পড়েন শাহরিয়ার। দলীয় ৮৫ রানের মাথায় বিদায় নেওয়ার আগে এই বাঁহাতির ব্যাট থেকে আসে ১১ রান। মুশফিকের ২৩ বলের ইনিংসে ছিল একটি করে চার ও ছক্কার মার। মুশফিকের পর সাজঘরে ফেরেন রুম্মন রইস। রানআউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৪ রান। দলীয় ৯২ রানে সাত উইকেট হারায় বরিশাল। এনামুল হক ১৫ বলে একটি চার আর একটি ছক্কায় ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৬ বলে দুটি ছক্কায় ১৬ রানে অপরাজিত থাকেন আবু হায়দার রনি।

কুমিল্লার হয়ে দলপতি মাশরাফি ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান খরচ করেন। রশিদ খান ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে তুলে নেন দুটি উইকেট। ৪ ওভারে ১৭ রান খরচায় নাবিল সামাদ নেন তিনটি উইকেট। ৩ ওভারে ২২ রানের বিনিময়ে একটি উইকেট পান শাহদাত হোসেন।

কুমিল্লার হয়ে ব্যাটিং উদ্বোধনে নামেন ইমরুল কায়েস এবং আহমেদ শেহজাদ। এ জুটি থেকে আসে ৯৩ রান। ইনিংসের ১৩তম ওভারে ডেভিড মালানের বলে বাউন্ডারি সীমানায় ধরা পড়েন ইমরুল। কামরুল ইসলামের তালুবন্দি হওয়ার আগে ইমরুল ৩৫ বলে ৬টি চার আর একটি ছক্কায় করেন ৪৬ রান। ইনিংসের ১৭তম ওভারে বিদায় নেন আরেক ওপেনার আহমেদ শেহজাদ। দলীয় ১২০ রানের মাথায় বিদায়ের আগে পাকিস্তানি ওপেনার শেহজাদ করেন ৬১ রান।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.