শনিবারের পর বৃষ্টির পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে

0

        সিটিনিউজবিডি:- কোনো বিরতি নেই, আকাশের কান্না চলছেই। কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি, কখনো ঝিরিঝিরি, কখনোবা রিমঝিম—এভাবে সারা দেশেই চলছে বর্ষণ। টানা দুদিনের এই বৃষ্টিতে এলোমেলো জনজীবন। ঘরে বসে কেউ কেউ নিচ্ছেন ভরা বর্ষার স্বাদ। বাইরে যারা চলাচল করছেন, তাঁরা পোহাচ্ছেন নানা দুর্ভোগ।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বেশির ভাগ স্থানে কখনো হালকা, কখনোবা ভারী বৃষ্টি হচ্ছে, এ বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। শনিবারের পর পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
সাধারণত প্রতিবছর মে মাসের দিকে বাংলাদেশে মৌসুমি বায়ু চলে আসে। এ বছর কিছুটা দেরি করে ১০ জুন মৌসুমি বায়ু দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে চলে আসে। এর দিন দশেক পর এটি বেশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। আবহাওয়াবিদদের মতে, মৌসুমি বায়ু এখন ভীষণ সক্রিয় থাকায় মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে দেশজুড়ে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে, দেশের উত্তর থেকে দক্ষিণাঞ্চল সব এলাকাতেই বৃষ্টি হচ্ছে।
রাজধানী ঢাকায় বৃহস্পতিবার সকাল×ছয়টা থেকে আজ সকাল ছয়টা পর্যন্ত ৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তবে বৃষ্টি বেশি ভোগাচ্ছে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে। ২৪ ঘণ্টার চাঁদপুরে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে, যার পরিমাণ ২৮৮ মিলিমিটার। কক্সবাজারে বৃষ্টি হয়েছে ২১০ মিলিমিটার। উত্তরের জেলা রাজশাহীতে বৃষ্টি হয়েছে ১০০ মিলিমিটার। অন্যান্য বিভাগীয় শহরের মধ্যে বরিশালে ১৩৫, খুলনায় ৫৫, রংপুরে ২৫, চট্টগ্রামে ৮৭ এবং সিলেটে ১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
বৃষ্টি ও মেঘের ঢাকা আকাশের জন্য তাপমাত্রাও বেশ কমে এসেছে। দেশের অধিকাংশ এলাকায়ই তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে এসেছে।
গতকাল ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের সবচেয়ে কম তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ফেনীতে ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি, আর বেশি ছিল সিলেটে ৩৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শাহ আলম প্রথম আলোকে জানান, বর্ষাকালে এমন বৃষ্টি হতেই পারে। মৌসুমি বায়ু প্রচণ্ড সক্রিয় থাকায় এখন এর মাত্রা বেশি। ২৪ ঘণ্টার আগে অবস্থা উন্নতি না-ও হতে পারে।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.