চোখের চিকিৎসায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল

0

নিজস্ব প্রতিনিধি :  চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল আট লাখের বেশি রোগীর চোখে সফল অপারেশন ও ৮০ লাখ রোগীর চোখের চিকিৎসা করেছে প্রতিষ্ঠানটি স্থাপিত হওয়ার পর থেকে ।

মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং অরবিস ইন্টারন্যাশনালের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। দুটি প্রতিষ্ঠানের ‘বিগত দিনের কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা’ জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন বলেন, চোখের চিকিৎসায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ।নিরাময়যোগ্য অন্ধত্ব প্রতিকারের লক্ষ্যে আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের একটি কক্ষে যাত্রা শুরু করেছিল বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতি। মনে পড়ে তখন আমাদের একজন পার্টটাইম কর্মচারী ছিল। তার সঙ্গে শেয়ার করে টেবিলে বসতাম। সরকারি, দেশি-বিদেশি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় এ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। প্রতিষ্ঠানটি স্থাপিত হয় ১৯৮৩ সালে ।

তিনি বলেন, প্রতিদিন এক হাজার রোগী দেখা হয়। দৈনিক ১০০ রোগীর অপারেশন হয়। এরপরও দূরদূরান্ত থেকে এসে অনেক রোগী ফিরে যাচ্ছে দেখে খুব কষ্ট লাগে। তাই একটি পুরোনো ভবন ভেঙে বহুতল ভবন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

৭৮ বছর বয়সী এ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলেন, ব্যক্তির জন্য প্রতিষ্ঠান বড় নয়। ৩ হাজার ৬০০ টাকা দিয়ে সমিতির যাত্রা শুরু করেছিলাম ১৯৭৩ সালে। এখন এত বড় হাসপাতাল করেছি। পাশে ট্রাস্টের মাধ্যমে ৭০০ কোটি টাকার ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল গড়ছি। আমাকে একদিন পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হবে, কিন্তু প্রতিষ্ঠান সেবা দিয়ে যাবেই।

সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৭ সালের নভেম্বরে দুই সপ্তাহের জন্য চট্টগ্রামে আসবে অরবিস ইন্টারন্যাশনালের উড়ন্ত হাসপাতাল। এর আগে উড়ন্ত হাসপাতালটি ৯ বার বাংলাদেশে এসেছিল।

সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন অরবিস ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনির আহমেদ, চক্ষু হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. কামরুল ইসলাম ও প্রফেসর ডা. মুনিরুজ্জামান।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.