নাইক্ষ্যংছড়িতে র্যাবের অভিযানে ছয়টি অস্ত্র উদ্ধার,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘটনাস্থল পরিদর্শন
শহিদুল ইসলাম উখিয়া প্রতিনিধি:: কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং শরণাথী শিবির সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গা যুবক নুর আলমকে আটক করেছে র্যাব -৭।
মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত র্যাব-৭ এর কোম্পাানী কমান্ডার লে: আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে আভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত যুবকের কথা অনুসারে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু পশ্চিম কূল গহিন পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছয়টি এসএমজি ও রাইফেল উদ্ধার করেন।
মঙ্গলবার আড়াইটার দিকে প্রেস ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্রমনন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল বলেন, বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দেশপ্রেমিক। সে কারণে র্যাব ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের কর্মতৎপরতায় আনসার ক্যাম্পে লুট হওয়া এগারটি অস্ত্র,বিপুল পরিমান খোয়া যাওয়া গুলি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। ঘটনার মূল হোতাকে ও আইনের আওতায় আনতে পেরেছে র্যাব।
রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে রোহিঙ্গাদের টেংগার চর নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বিশ্ব জনমত গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধ পরিকর। পরিবহন ধর্মঘট প্রসঙ্গে বলেন আদালতের রায়কে সবাইকে মেনে নিতে হবে। দোষী ব্যক্তি উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। তা না করে কিছু উৎশৃঙ্খল যুবক পুলিশ ব্যারাকে হামলা ও পুলিশের গাড়ী ভাঙ্গচুর চালায়। পুলিশ এখন জনবান্ধব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন র্যাব এর মহাপারচালক বেনজির আহমেদ,আনসার মহাপরিচালক মিজানুর রহমান খান, র্যাবের অতিরিক্ত মহা পরিচালক আনোয়ারুল আজিম ,র্যাব -৭ এর অধিনায়ক লে: কর্ণেল আশিকুর রহমান, লামা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান, নাইক্ষংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম সরওয়ার কামাল ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মাইন উদ্দিন। উল্লেখ্য ২০১৬ সালের ১২ মে রাতে রোহিঙ্গা সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠি টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরের দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে আনসার কমান্ডার আলী হোসেন কে হত্যার পর ৬০০শ রাউন্ড গুলি ও তেরটি অস্ত্র লুট কওে নিয়ে যায়। ২০১৭ সালের ৯ জানুয়ারী ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু পুরান পাড়া গহীন অরণ্যে অভিযান চালিয়ে লুট হওয়া পাঁচটি সহ তেরটি অস্ত্র ও ৯৫ রাউন্ড গুলি নিয়ে তিন রোহিঙ্গা নেতাকে গ্রেফতার করে র্যাব।
