সিটিনিউজবিডি ঃ আগামী ১৫ জুলাইয়ের টিকেট নিতে শুক্রবার রাত থেকেই রেলস্টেশনে লাইনে দাঁড়িয়েছেন যাত্রীরা। প্রথম দুইদিন খুব বেশি চাহিদা না থাকলেও তৃতীয় দিনে চট্টগ্রামে ঈদের অগ্রিম টিকেটের চাহিদা বেড়েছে বহুগুণ।
রেল কর্মকর্তারা বলছেন, আগামী বুধবার পবিত্র শবে কদর’র বন্ধ থাকার কারণে যাত্রীদের চাহিদা বেড়েছে। বিষয়টি মাথায় রেখে স্পেশাল ট্রেন ও অতিরিক্ত বগি যুক্ত করা হচ্ছে।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের পরিবহন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত দুইদিনে ৮টি আন্তঃনগর ট্রেনে চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রীদের জন্য ৪ হাজার ২০০ আসন বরাদ্দ ছিল। কিন্তু শনিবার প্রায় দেড় হাজার বাড়িয়ে ৫ হাজার ৩৭৯টি আসন বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ম্যানেজার মো.আবুল কালাম আজাদ বলেন, শনিবার যথানিয়মে সকাল ৯টা থেকে ঈদের অগ্রিম টিকেট বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
আগামী বুধবারের অগ্রিম টিকেটের চাহিদা বেড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, গত দুইদিন খুব বেশি চাহিদা ছিল না। কিন্তু শনিবার যাত্রীদের চাহিদা অনেক বেশি। বিষয়টি মাথায় রেখে প্রায় দেড় হাজার আসন বৃদ্ধি করেছি।
তিনি বলেন, কাউন্টারে যতোক্ষণ টিকেট থাকবে ততোক্ষণ স্বচ্ছভাবে টিকেট বিক্রি হবে। কোন ধরণের অনিয়ম হবে না। যে কোন ধরণের অনিয়ম ও কালোবাজারি বন্ধে রেল পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাবের অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।
গত বুধবার থেকে ঈদের অগ্রিম টিকেট বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়। ওইদিন ১৩ এবং পরদিন ১৪ তারিখের টিকেট বিক্রি করা হয়। ১২ তারিখ ১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ও ১৩ তারিখ ১৭ জুলাই (শুক্রবার) এর টিকেট বিক্রি করা হবে।
স্টেশন ম্যানেজার জানান, মোট টিকেটের মধ্যে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য ৬৫ শতাংশ স্টেশনে এবং ২৫ শতাংশ অনলাইনে উন্মুক্ত। বাকি পাঁচ শতাংশ ভিআইপি এবং পাঁচ শতাংশ রেলওয়ে কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ থাকে।
চট্টগ্রাম ৮টি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে।পরিবহন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সুবর্ণ এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে, মহানগর প্রভাতি সকাল ৭টায়, মহানগর গোধূলী বিকাল ৩টায় ও তূর্ণা এক্সপ্রেস রাত ১১টায় ঢাকার উদ্যেশে চট্টগ্রাম স্টেশন ছেড়ে যাবে।
পাহাড়িকা সকাল ৮টায় ১৫ মিনিটে, উদয়ন এক্সপ্রেস রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে সিলেটের উদ্যেশ্যে এবং মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনটি বিকাল পাঁচটায় চাঁদপুরের উদ্যেশ্যে চট্টগ্রাম ত্যাগ করবে।
