সিটিনিউজবিডি : কাগিসো রাবাদার অভিষেক পারফরম্যান্সে বীষে নীল হলো বাংলাদেশ। ওয়ানডে অভিষেকে দ্বিতীয় বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করেছেন। ওয়ানডে অভিষেকে ইতিহাসের সেরা বোলিং ফিগারের মালিক হয়েছেন। দেশের সেরা বোলিং ফিগারের মালিকও হয়েছেন। ২০ বছর বয়সী এই ডান হাতি ফাস্ট বোলারের আগুনে পুড়ে ছাই বাংলাদেশ। মিরপুরে তিন ওয়ানডের প্রথম ম্যাচে ৩৬.৩ ওভারেই বাংলাদেশ অল আউট ১৬০ রানে।
১৬১ রানের টার্গেটে ওপেন করলেন হাশিম আমলা ও কুইন্টন ডি কক। ষষ্ঠ ওভারে নিজের প্রথম ওভার করতে এলেন টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি। আর তার তৃতীয় বলেই শর্ট ফাইন লেগে মাহমুদুল্লার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক আমলা। তার রান তখন ১৪, দলের ২২। নাসিরকে দ্বিতীয়বার বল দিয়ে আরেকটি সাফল্য পেলো বাংলাদেশ। ডি কক ৩৫ রান করে বিদায় নিলেন। কিন্তু শেষ খবর, ২৩ ওভারে ২ উইকেটে ১১০ রান দক্ষিণ আফ্রিকার। রুসো ১৮ ও ডু প্লেসিস ৩৬ রানে ব্যাট করছেন। বাংলাদেশী বোলাররা ভালোই বল করেছেন এবং করছেন। কিন্তু পুঁজিটা তো ভালো নয়। তাই আশার আলোও নেই। ম্যাচ তাই প্রোটিয়াদের হাতের মুঠিতেই।
ম্যাচের চতুর্থ ওভারেই হ্যাটট্রিক করে বাংলাদেশের মেরুদণ্ডটা দিয়েছেন ভেঙ্গে। ওয়ানডে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করা প্রথম বোলার হিসেবে রেকর্ড করেছিলেন তাইজুল। তার সাথে এবার যোগ দিলেন রাবাদা। ১৭ রানে তিন উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
ঢাকায় প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ২ উইকেট নিয়েছিলেন রাবাদা। কিন্তু তরুণ ওই পেসারের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলা হয়নি। সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন। ওয়ানডে অভিষেক হলো বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই। আর প্রথম খেলায় বাজিমাৎ করলেন এই যুবা।
চার ওভারের খেলা চলছে। তামিম ইকবাল তখনো রান করতে পারেননি। হাসফাস করছিলেন। অফ স্টাম্পের ওপর দেয়া বলটা ঠিক বুঝে উঠতে পারলেন না তামিম। ডাক নিয়ে বিদায় তার। ওভারের চতুর্থ বলে তামিমকে শিকার করে পঞ্চম বলেই লিটন দাসকে পেয়ে গেলেন রাবাদা। ফ্লিক করেছিলেন লিটন। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকানদের হাত থেকে ক্যাচ ফস্কায় না। এরপর মাহমুদ উল্লা আসেন। ভারত সিরিজ খেলতে পারেন নি ইনজুরির কারণে। এবার প্রথম বলেই রাবাদার হ্যাটট্রিক শিকার তিনি। ইতিহাস গড়ে রাবাদা তখন উড়ছেন। ওয়ানডে ইতিহাসে এটি ৩৮তম হ্যাটট্রিক। তিন ব্যাটসম্যানই ফিরেছেন ডাক নিয়ে। ১৭ রানে নেই স্বাগতিকদের তিন উইকেট।
বাংলাদেশ টস জিতেছে। বাংলাদেশ আট ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলছে। টস জিতেছে। আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত রাবাদার হ্যাটট্রিকের সাথেই হয়েছে প্রশ্নবিদ্ধ। সৌম্য সরকার আক্রমনাত্মক ক্রিকেট খেলেন। সেভাবেই খেলছিলেন। কিন্তু ২৭ বলে ২৭ রান করার পর দিনের হিরো রাবাদারই শিকার হয়েছেন তিনি দলের ৪০ রানের সময়।
এ বিভাগের আরও খবর
