বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান

0

সিটিনিউজ ডেস্ক::  চরিত্র মানুষের আলোকিত করে। তরুণরা জাতির প্রাণ। তাই সমাজ তথা রাষ্ট্র উন্নতির পেছনে মেধাবী তরুণদের অবদানের বিকল্প নেই। তাই তরুণদের হতে হবে চরিত্রবান, নিষ্ঠাবান। কারণ চরিত্র মানুষের জ্ঞানকে মহিমান্বিত করে। আলোকিত সমাজ গঠন করে বই পড়া, চরিত্র গঠনের মাধ্যমে। আধ্যাত্মিকতার সাথে চারিত্রিক সৌন্দর্য মানুষকে বিকশিত করে।

চরিত্রহীন মানুষ পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট। পৃথিবীর ইতিহাসে চারটি ভাষণ উল্লেখযোগ্য। অন্যতম হলো স্বামী বিবেকানন্দের চিকাগো ধর্মসম্মেলনের ভাষণ। ঘুনে ধরা জাতিকে হতাশার কুয়ো থেকে আলোর পথ দেখিয়েছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। সূর্যের আলোর মত জ্বলে উঠে গোটা জাতিকে আলোর রেখা দেখান এ মহাপুরুষ। হিমালয় থেকে সাধকপুরুষদের তিনি লোকালয়মুখী করেছিলেন। জীবপ্রেমের মাধ্যমে ঈশ্বর সাধনা করতে হবে। গরিব মেধাবী, অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষাই হলো প্রকৃত মানবপ্রেম।

৭ এপ্রিল শুক্রবার স্বামী বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদের রাঙ্গুনিয়া শাখার নবনির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব বলেন।
শান্তিনিকেতন শ্রীরামকৃষ্ণ সেবাশ্রম কার্যালয়ে নবগঠিত কমিটির সভাপতি সৌমেন চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের শ্রীমৎ স্বামী কৃপারূপানন্দজী মহারাজ।

সহসভাপতি ছোটন দে-র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি ও চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার দেব, সুপ্রভাত বাংলাদেশ’র সহ সম্পাদক কাঞ্চন মহাজন, ইউপি সদস্য ত্রিদিব কুমার দে (বুলু), ডা. নীতিশ চক্রবর্তী, সুজিত দে, সুভাষ দে। আরও বক্তব্য রাখেন পরিষদের সাবেক সভাপতি সত্যপদ দে, সহসভাপতি ডা. সমীর দে, সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত দে প্রমুখ। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে শুরুতে ধর্মীয় সংগীত পরিবেশন করেন পরিষদের শিল্পীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সহসভাপতি সমীরণ নাথ, সহসভাপতি ডা. কনোজ দত্ত, সহসভাপতি অভিজিৎ দে-সহ পরিষদের সকল সদস্যবৃন্দ। সভা শেষে শ্রীমৎ স্বামী কৃপারূপানন্দজী মহারাজ নবগঠিত কমিটির কর্মকর্তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.