গ্যাবোনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ‘বিতর্কে’ পড়েছিলেন লিওনেল মেসি। একটি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে গিয়েছিলেন মেসি। পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সহাস্য প্রেসিডেন্ট আলি বঙ্গো। মেসি যে পাথরটি স্টেডিয়ামের জন্য গেঁথেছিলেন, সেটি এখন আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
গ্যাবোনের প্রেসিডেন্ট আলি বঙ্গো খুবই বিতর্কিত চরিত্র। ‘অত্যাচারী’ ও ‘দুর্নীতিপরায়ণ’ শাসক হিসেবে পরিচিত। মেসি দেশের প্রেসিডেন্টের পাশে দাঁড়ানোয় চটে ছিলেন দেশের মানুষ। মনে করা হচ্ছে, সেই ক্ষোভ থেকেই কেউ মেসির গেঁথে যাওয়া পাথর উপড়ে ফেলে দিয়েছেন।
মেসির বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ ছিল, তিনি আলি বঙ্গোর কাছ থেকে অবৈধ ৩৫ লক্ষ ইউরো নিয়ে দেশে এসেছিলেন। বঙ্গোদের একটি পারিবারিক রেস্তোরাঁও উদ্বোধন করেন মেসি। যদিও এই দাবির সত্যতা অস্বীকার করেছে আলি -বঙ্গোর অফিস। এক বার্তায় বলা হয়, ‘আর্জেন্টিনার তারকাকে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি।’
গ্যাবোনের এক প্রথমসারির সংবাদপত্র এই খবর প্রকাশ করে শিরোনামে লিখেছে, ‘মেসির বসিয়ে যাওয়া সেই পাথর কোথায়?’ খবরে আরও লেখা হয়েছে, মেসি এবং প্রেসিডেন্ট আলি বঙ্গো চলে যাওয়ার পরই নাকি ওই পাথর দু’টি উপড়ে ফেলে দেওয়া হয়। এই নিয়ে পুলিশে অভিযোগও জানানো হয়েছে। কিন্ত্ত তদন্তে এখনও দোষীদের চিহ্নিত করা যায়নি।
মেসির এই সফর ঘিরে ফুটবল বিশ্বে ঝড়। অনেকেই মনে করছেন, গাবোনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ রক্ষার আগে মেসির একটু পড়াশোনা করে সে দেশে যাওয়া উচিত ছিল। মেসির বসিয়ে যাওয়া পথার উপড়ে ফেলায় এই ঘটনা সেই তত্ত্বেরই বৈধতা দিচ্ছে।
