সিটিনিউজবিডিঃ সরকারি অনুমোদন ব্যতিরেকে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা অবৈধ হলেও হাইকোর্টের দোহাই দিয়ে এ সব বিশ্ববিদ্যালয় অবৈধ ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রসঙ্গত, উচ্চশিক্ষার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ ও সম্প্রসারণ, সর্ব সাধারণের জন্য উচ্চ শিক্ষা সুলভকরণ এবং এর মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বর্তমান সরকারের আমলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন- ২০১০ সংসদে পাস হয়।
যে ৯টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবৈধ ক্যাম্পাস রয়েছে, সেগুলো হচ্ছে- দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, নর্দার্ন উইনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, দি পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (চট্টগ্রাম), ইবাইস ইউনিভার্সিটি ও আন্তর্জাতিক ইসলামিক ইউনিভার্সিটি (চট্টগ্রাম)।
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আব্দুল কুদ্দুস বাংলানিউজকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক চিত্র নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এতে বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে। কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অবৈধ ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে।
তিনি বলেন, ইউজিসি’র প্রতিবেদন দেখেছি। তবে বুধবার (২৯ জুলাই) বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় হয়নি। আগামী মিটিংয়ে এসব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। এছাড়া যে সব বিশ্ববিদ্যালয় এখনো নিজস্ব ক্যাম্পাসে যেতে পারেনি, তাদের আরো একবার সময় দেওয়া হবে। এর মধ্যে নিজস্ব ক্যাম্পাস করতে না পারলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে।
