এম. রমজান আলী, রাউজান :: দক্ষিন রাউজানের প্রাণকেন্দ্র পথেরহাট নোয়াপাড়া ভূমি মসজিদের পুকুরটি এখন ডাষ্টবিনে পরিণত হয়েছে। নোয়াপাড়া ভুমি অফিস সংলগ্ন এই পুকুরটিতে নানা প্রকার আবর্জনা ফেলা হচ্ছে এতে এখানকার পরিবেশ ক্রমশঃ দূর্বিসহ হয়ে পড়ছে।
এই পুকুরের এক পাশে র্মাকেট দোকানপাট রয়েছে সিএনজি অটোরিক্সা ষ্টেশন। মার্কেটের ব্যবসায়ী ও সর্বসাধারনের ব্যবহারে রয়েছে পুকুরঘাট এই ঘাটের উপর ময়লা আর্বজনায় পরিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যার ফলে লোকজন এখানে দাড়িয়ে প্রশ্রাব করতে শুরু করেছে।
দেখা যায় এসব ময়লা আবর্জনা ও প্রশ্রাবের পানি পুকুরে গিয়ে পড়ছে যদিও পুকুরে পানি নেই তবে এসব ময়লা ও পানি জমাট হয়ে আবর্জনার এই দূষণ চারিদিকে ছড়াছে। নোয়াপাড়া ভুমি অফিসের কর্মরত ব্যক্তিদের চোখের সামনে এই অবস্থা বিরাজ করলেও তারা দেখেও কুম্ভকর্নের মত রয়েছে।
এই স্থানে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ রাউজানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে চট্টগ্রাম শহরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে আসা যাওয়া করে এসব লোকজন এখানকার পরিবেশ দেখে অনেকেই বলেন রাউজানের অর্থনৈতিক প্রাণ কেন্দ্র নোয়াপাড়া পথেরহাটের এই অবস্থা দেখলে মনে হয় এখানকার কোন সচেতন ব্যক্তি নেই যার কারণে এসব বিষয়ে পৃষ্ঠপোষকদের সু-দৃষ্টি নেই বললেই চলে।
যার ফলে প্রতিদিন মার্কেটের দোকানিরা ময়লা আর্বজনা যার যার ইচ্ছেমত ফেলছে এখানে বর্তমানে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে তা বন্ধ করা ও পরিস্কার করা না হলে বর্ষার পানি পড়ার সাথে সাথে পুকুরের পানি দুষিত হয়ে পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়বে।
আমির মার্কেটের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার মো: ইফতেকার বলেন এখানকার ব্যবসায়ীরা ইচ্ছা করলে নিজেদের র্সাথে আর্বজনাগুলো এখানে নাফেলে দুরে কোথাও ফেলতে পারে এখানে এসব আর্বজনা ফেলার কারনে নিজেরাই ক্ষতির শিকার হচ্ছে এবং সবাইকে দুষিত পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে তা আমাদের বুঝা উচিৎ।
বর্তমানে যে অবস্থার বিরাজ করছে তা বন্ধ করা না গেলে এখানকার পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মক আকার ধারণ করবে তাই পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে জনপ্রতিনিধির সু-দৃষ্টির প্রয়োজন বলে মনে করেন এলাকার সচেতন মহল।
এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামিম হোসেন রেজা বলেন যারা এই পুকুরে আর্বজনা ফেলছে বা ফেলবে তাদের ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
