কর্ণফুলী গ্যাসের কর্মকর্তাদের দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

0

সিটিনিউজবিডি : নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে কর্ণফুলী গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (সাবেক সচিব) আমির হামজা ও সাবেক ব্যবস্থাপক আবদুল্লাহ আল মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

কর্ণফুলী গ্যাস ফিল্ডে বিভিন্ন পদে ৫৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কোনো প্রকার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও যোগ্যতা যাচাই ছাড়াই নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার তদন্তে ওই দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এদিকে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সানোয়ার হোসেনের জিজ্ঞাসাবাদের কথা থাকলেও তিনি এতে হাজির হননি।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে বুধবার বেলা ১১টা থেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। দুদকের উপ-পরিচালক আবদুস সোবহান তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।
দুদক সূত্র জানায়, যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তারা দু’জন দুদকের মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। চলতি বছরের ২২ জুন চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় মামলাটি করা হয়।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— কর্ণফুলী গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক এমডি সানোয়ার হোসেন, মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) চৌধুরী আহসান হাবিব ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জামিল আহমেদ আলীম। এদের আগামীকাল বৃহস্পতিবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
মামলার এজাহারে বলা হয়ছে, আসামিরা কোনো প্রকার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই ছাড়া ব্যক্তিগতভাবে আবেদনপত্র সংগ্রহ করে কর্ণফুলী গ্যাসফিল্ড কোম্পানি লিমিটেডের বিভিন্ন পদে ৫৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগ করেন। এর মধ্য থেকে ৪২ জনকে নিয়মিত করা হয়। এ ক্ষেত্রে কর্মচারী নিয়মিতকরণ বিধিমালা ১৯৯৪-এর বিধান অমান্য করা হয়েছে।

ওই নিয়োগে বাংলাদেশ গ্যাসফিল্ড কোম্পানির নিয়োগের ক্ষেত্রে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের অনুমতি পর্যন্ত নেওয়া হয়নি। নিয়োগের ক্ষেত্রে জেলা কোটা, মুক্তিযোদ্ধা কোটা, প্রতিবন্ধী কোটা ও নারী কোটাও যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ থাকলেও কম্পিউটার অপারেটর পদের মূল্যায়নে অভিজ্ঞতার জন্য কোনো নম্বর দেওয়া হয়নি। জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে আগে নীতিমালা অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষার জন্য ৫০ নম্বর, মৌখিক পরীক্ষায় ১৫ আর শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে ৩৫ নম্বর নির্ধারিত ছিল। কিন্তু পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দিতে নীতিমালা পরিবর্তন করে লিখিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ৪০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে ১৫ ও মৌখিক পরীক্ষার জন্য ৩৫ নম্বর নির্ধারণ করে নতুন নীতিমালায় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। মেধাবী প্রার্থীরা লিখিত পরীক্ষায় ৪০ নম্বর পেয়েও চাকরি পাননি। সেক্ষেত্রে পছন্দের প্রার্থীরা ১৫-২০ নম্বর পেয়েও চাকরি পেয়েছেন।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.