সিটি নিউজঃ প্রতিথযশা সাংবাদিক মঈনুল আলম (৮১) আর নেই (ইন্না লিল্লাহ… রাজিউন)। গত সোমবার (১৮ জুন) টরন্টোর সময় বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৩টা) স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
চট্টগ্রামের সিনিয়র এ সাংবাদিক দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকলেও মঈনুল আলম বিভিন্ন দৈনিকে নিয়মিত লিখে গেছেন।
তিনি ছিলেন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠা ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের শুরুর দিকের যাত্রাপথে অনন্য ভূমিকা রেখেছিলেন মঈনুল আলম। প্রায় অর্ধ শতাব্দি পর্যন্ত দাপটের সঙ্গে লেখালেখি ও সাংবাদিকতায় যুক্ত ছিলেন তিনি।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ তিনি দৈনিক ইত্তফাক এর বূরো প্রধান ছিলেন প্রায় ২৫ বছরের বেশী। সাংবাদিক মোস্তাক আহমদ লিখেছেন, বাংলাদেশে তার ন্যায় একজন মেধাবী সাংবাদিক সে সময়ে দ্বিতীয়জন ছিলেন না বললেই চলে। রাজকীয় সাংবাদিক হওয়া সত্বেও তিনি সে সময় ইত্তেফাক পত্রিকা ছেড়ে কেন দেশত্যাগ করেন তা কেউ জানতে পারেননি। আল্লাহ তাকে বেহেশত্ নসিব করুন। তার পরিবার পরিজনের প্রতি জানাচ্ছি সমবেদনা।
সাংবাদিক রিয়াজ হায়দার লিখেছেন, মঈনুল আলমই বাংলাদেশের একমাত্র সাংবাদিক যিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ও সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা মিখাইল গর্বাচেভের শীর্ষ বৈঠক কভার করেছেন। দারুণ শিল্পবোধ সম্পন্ন এই সাংবাদিক ছিলেন সুবক্তাও । দেশের প্রাচীনতম দৈনিক ইত্তেফাকের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান ছিলেন দুইযুগেরও বেশি সময়। বিশাল বিটপী এই ব্যক্তির প্রয়াণ গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই ।
প্রবীন সাংবাদিক মঈনুল আলম দেশের প্রাচীনতম দৈনিক ইত্তেফাকের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে।
মঈনুল আলমের প্রয়াণে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি কলিম সারোয়ার, সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিমুদ্দিন শ্যামল, সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, সাবেক সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, মোস্তাক আহমদ, অঞ্জন কুমার সেন প্রমুখ।
