সিটিনিউজবিডি : স্কুলছাত্রীকে লাঞ্ছিতকারী বখাটে কিশোর রুহুল আমিনকে গাজীপুর শিশু-কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। শনিবার দুপুরে হবিগঞ্জ অতিরিক্তি জেলা ও দায়রা জজ ও শিশু আদালতে হাজির করা হয় রুহুল আমিনকে।
এসময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। বিচারক আতাব উল্লাহ রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেন।
পরে তাকে গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত সামজসেবা অধিদপ্তরের শিশু ও কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানের নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রমতে, দুপুরে রাহুলকে আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ওমর ফারুক। এসময় বিচারক আবেদন নামঞ্জুর করে পরে সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানিয়ে এজলাস থেকে নেমে যান। বিকেলে এসে তিনি রাহুলকে গাজীপুর জেলার টঙ্গীতে অবস্থিত সামজসেবা অধিদপ্তরের শিশু ও কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন।
এছাড়া এ বিষয়ে দায়ের করা মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর।
এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে হবিগঞ্জ শহরতলীর রিচি গ্রামে জনতার হাতে আটক হয় রুহুল আমিন। পরে তাকে থানা পুলিশ আটক করে।
আটক রুহুল আমিন হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার বড়ইউড়ি গ্রামের আব্দুল মুকিতের ছেলে।
গত ২৬ আগস্ট অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে স্কুল থেকে ফেরার পথে মারধর করে নবম শ্রেণির ছাত্র বখাটে রুহুল আমিন। এ ঘটনা ভিডিও করে গত ৩ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছেড়ে দেয় তার বন্ধুরা। এতে হবিগঞ্জের বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। গত ৪ সেপ্টেম্বর সকালে ঘটনার প্রতিবাদে শহরের টাউনহল এলাকায় একটি সংগঠনের উদ্যোগে মানববন্ধন করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে দেয়।
