ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়

0

সিটিনিউজবিডি : নির্ধারিত সময়ের ৬ ঘণ্টা পরে কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে ছাড়ল রাজশাহীগামী আন্তঃনগর ধুমকেতু এক্সেপ্রেস। এছাড়া ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অন্য ট্রেনের দেখা পাননি যাত্রীরা। রেলের এ শিডিউল বিপর্যয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বেশ ভোগান্তিতে পড়েন ঘরমুখো হাজারো মানুষ।

যদিও এটিকে শিডিউল বিপর্যয় হিসেবে দেখতে নারাজ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

রাজশাহীগামী আন্তঃনগর ধুমকেতু এক্সপ্রেসটি বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে নির্ধারিত শিডিউলে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ছেড়েছে বেলা সোয়া ১১টার দিকে। দীর্ঘ প্রায় ৬ ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করেন এ রেলের হাজার হাজার যাত্রী। বেলা পৌনে ১১টার দিকে ধুমকেতু এক্সপ্রেসটি যখন কমলাপুর রেলস্টেশনে ঢোকে তখন হাজার হাজার যাত্রী রেলে ওঠার প্রতিযোগিতায় নামেন। শেষতক ভেতরে ঠাঁই না হওয়ায় ছাদে উঠে পড়েন ঘরমুখী শত শত নারী-পুরুষ।

ধুমকেতু এক্সপ্রেস কমলাপুর ছাড়ার কিছুক্ষণ আগে বেলা ১১টার দিকে ময়মনসিংহ অভিমুখে ছেড়ে যায় বলাকা এক্সপ্রেস। এর ছাদও চলে যায় যাত্রীদের দখলে। এ রেলটিও নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা পর কমলাপুর স্টেশন ছাড়ে।

সকাল ৯টার দিকে কমলাপুর থেকে রংপুরের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা রংপুর এক্সপ্রেসের। কিন্তু, বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কমলাপুর এ এ রেলের দেখা মেলেনি।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে কথা হয় শরিফুল ইসলাম, আকবর আলীসহ কয়েকজনের সঙ্গে। এদের সবার বাড়ি গাইবান্ধায়। তারা জানান, ভোর থেকেই তারা কমলাপুর স্টেশনে অপেক্ষা করছেন। অপেক্ষা করতে করতে ক্লান্ত তাই ফ্লোরেই বিশ্রাম নিচ্ছেন। রেল কখন আসবে জানা নেই কারো।

একই অবস্থা অন্যান্য রেলগুলোর যাত্রীদের ক্ষেত্রেও। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও গন্তব্যের রেলে উঠতে পারছেন না তারা। ফলে ঈদযাত্রায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাদের।

তবে, রেলের এ ধীরগতি বা নির্ধারিত সময়ে না ছাড়াকে শিডিউল বিপর্যয় হিসেবে দেখতে নারাজ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মকবুল আহমেদ বেলা পৌনে ১১টার দিকে বলেন, সকাল থেকে ১৩টি ট্রেন কমলাপুর থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে গেছে। দুয়েকটি বাদে বেশিরভাগই নির্ধারিত সময়ে ছেড়েছে। এটাকে শিডিউল বিপর্যয় বলা যাবে না।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.