পটিয়ার শ্রীমতি খালে হাইড্রলিক এলিভেটর ড্যাম হচ্ছে

0

সুজিত দত্ত পটিয়া প্রতিনিধিঃ পটিয়ার শ্রীমতি খালে বর্ষা মৌসুমের পানি সংরক্ষন করে বেশ কয়েকটি ইউনিয়নকে চাষাবাদের আওতায় আনার লক্ষে সাজেক ভ্যালি এলাকায় চট্টগ্রামের ১ম হাইড্রলিক এলিডেটর ড্যাম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যা বাস্তবায়ন হলে পটিয়ার হাইদগাও, খরনা, কচুয়াই, ভাটিখাইন ও ছনহরা ইউনিয়ন বোরো চাষের আওতায় আসবে। পাশাপাশি এ ইউনিয়নগুলো বর্ষা মৌসুমে বন্যার হাত থেকে রক্ষা পাবে। উপকৃত হবে প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক কৃষক।

যার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে সমীক্ষা শীষক আজ রবিবার এক মত বিনিময় সভা পটিয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনু্ষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী।

আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের চট্টগ্রামের প্রধান প্রকৌশলী মীর মোশারফ হোসেন, তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী শীবেন্দু খাস্তগীর, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম সামশুজ্জমান চৌধুরী, পৌর মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশীদ, প্রদীপ দাশ, জেলা পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান দেবব্রত দাশ, ডা: তিমির বরন চৌধুরী, বিজন চক্রবত্তী, মাজেদা বেগম শিরু, গ্রুপ পরিচালক এ কে এম তাহমিদুল ইসলাম,পরিচালক প্রকল্প ডা: শ্যামল কুমার দাশ, নির্বাহী প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা প্রমুখ।

এতে বক্তারা শ্রীমতি খালের কি পরিমান পানি পাহাড় থেকে নামছে। আর কি পরিমান পানি জমা থাকছে। তা বোরো চাষে কতটুকু কাজে লাগছে। সে বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন। তবে জমে থাকা পানিতে ৯৯৬ হেক্টর জমিতে ধান চাষ করা সম্ভব হবে এতে তথ্য প্রকাশ করা হয়।

এছাড়া ও শ্রীমতির উপরি ভাগ থেকে নেমে আসা পানি যাতে আশ পাশের চাষাবাদযোগ্য জমি এবং ঘর বাড়ীর কোন ধরনের ক্ষতি সাধন করতে না পারে সেজন্য নেমে আসা পানি গুলো চানখালী পর্যন্ত প্রটেকশন বেড়িবাধ দিয়ে নামিয়ে দেওয়ার বিষয়ে প্রকল্প গ্রহনের প্রস্তাব করা হয়। যা করা হলে বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের কৃষি ও মৎস সম্পদ সহ হুমকীর মুখে থাকা ঘরবাড়ী গুলো রক্ষা পাবে। এ ছাড়া ও সুইস গেইট স্থাপন করে উপর থেকে নেমে আসা পানি গুলো শ্লথ গতিতে নিচের দিকে নামিয়ে আনার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

এর ফলে বেড়িবাধ গুলো যেমন সুরক্ষিত থাকবে তেমনি বৃহত্তর এলাকার চাষাবাদযোগ্য জমি গুলো বহু ফসলী জমিতে রুপান্তরিত হবে। এতে হুইপ সামশুল হক চৌধুরী বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পটিয়ার মানুষ বন্যার ঝুকি মুক্ত থাকবে।পাশাপাশি শস্য ভান্ডার ও সমৃদ্ধ হবে।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.