চন্দনাইশ বরুমতি খাল সংস্কার, অবৈধভাবে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে দস্যুরা

0

চন্দনাইশ প্রতিনিধিঃ চন্দনাইশ পৌরসভায় ৫ কি:মি: বরুমতি খালের সংস্কার কাজ এগিয়ে চলছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৭৫ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে খালের সংস্কার কাজ চলছে। যা ৩০ জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

খালের একটি অংশে মাটি দস্যুরা দিনদুপুরে মাটি কেটে খালের পাড় ও পার্শ্ববর্তী ফসলি জমি’র বালি কেটে নিয়ে গেলেও প্রশাসন সম্পূর্ণ নিরব রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চন্দনাইশ পৌরসভার দক্ষিণ গাছবাড়িয়া প্রয়াত সাহিত্যিক আহমদ ছফার বাড়ি থেকে দক্ষিণ হারলা অংশ পর্যন্ত ৫কি:মি: বরুমতি খাল সংস্কারের কাজ এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে খালে ৩ অংশে বিভক্ত করে ৩ জন ঠিকাদার খাল খননের কাজ গত মে মাসে শুরু করেছে যা চলতি জুন মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে শেষ করার কথা রয়েছে।

বরুমতি খালের দিক পরিবর্তনের অভিযোগ
বরুমতি খালের দিক পরিবর্তনের অভিযোগ

খালটি সংস্কারের ফলে দক্ষিণ গাছবাড়িয়া, জিহস ফকির পাড়া, চৌধুরী পাড়া, হারলা নয়াহাট, দক্ষিণ হারলাসহ বিভিন্ন এলাকা বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে।

২০১৯-২০ অর্থ বছরে ৭৫ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে খালের সংস্কার কাজ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি’র) সহকারি প্রকৌশলী বিশ্বজিৎ দাশ গুপ্ত।

স্থানীয়দের অভিযোগ দক্ষিণ গাছবাড়িয়া এলাকার একটি অংশে মাটি দস্যুরা দীর্ঘ ১ বছর ধরে বরুমতি খালের পাড় ও পাশ্ববর্তী ফসলি জমির মাটি ও বালি কেটে নিয়ে গিয়ে খালের দিক পরিবর্তন করলেও প্রশাসন অজ্ঞাত কারণে সম্পূর্ণ নিরব রয়েছে।

বরুমতি খালের পাড় কেটে মাটি নিয়ে যাবার অভিযোগ
বরুমতি খালের পাড় কেটে মাটি নিয়ে যাবার অভিযোগ

এ ব্যাপারে স্থানীয়রা একাধিকবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করার পরও কাজের কাজ কিছু হয়নি। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি’র) সহকারি প্রকৌশলী বিশ্বজিৎ দাশগুপ্ত বলেছেন, তারা সরেজমিনে বরুমতি খাল পরিদর্শন করেছেন। মাটি দস্যুরা ইতোমধ্যে খালের পাড় এবং খালের পার্শ্ববর্তী ফসলি জমি থেকে বালি উত্তোলনের বিষয়টি সত্যতা পেয়েছেন।

এ ব্যাপারে তিনি স্থানীয় প্রশাসন তথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসনকে লিখিতভাবে অবহিত করবেন বলে জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে চন্দনাইশ থানা পুলিশ দু’দফা অভিযান চালালে অবৈধ মাটি দস্যুরা পালিয়ে যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ হোসেন বলেছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে এতদিন বিষয়টি দেখতে পারেননি। তিনি সংবাদ পেয়ে গত ১৫ জুন সহকারি কমিশনার (ভূমি) নিবেদিতা চাকমাসহ সরেজমিনে দেখেছেন এবং সত্যতা পেয়েছেন।

এ ব্যাপারে তিনি পরবর্তীতে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.