জামাল জাহেদ, কক্সবাজার: সরকার ঘোষিত ঈদের দিন শুক্রবার থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১৫ দিনের জন্য নদীতে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কারণ এ সময় ইলিশ ডিম দিয়ে থাকে। এ সময় এক দিন ইলিশ ধরা বন্ধ রাখা সম্ভব হলে এক থেকে দেড় কোটি ইলিশ রক্ষা পায়।
তবে এ সময় মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল জেলা কক্সবাজারে উপকূলীয় এলাকার ৫০হাজার জেলের জন্য বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করা হয়নি। এমনকি সরকার তাদের আর্থিক সহায়তাও দিলেও মহেশখালীর জেলেরা এখনো পর্যন্ত সম্পুর্ন রুপে সরকারি সহায়তা পায়নি।
এ অবস্থায় এ সময়ে মাছ ধরা থেকে জেলেদের বিরত রাখা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে,এমনকি বিগতে ৮দিনের মতো ঘরে বন্দি জেলেরা কঠিন কষ্টে কারন মহেশখালীর জেলেদের বিকল্প কোন কাজ নেই,তারা চরম ভাবে বেকায়দায় যেমন ঘোরকঘাটা চরপাড়া,খোন্দকারপাড়া,কুতুবজোম,তাজিয়াকাটা, সোনাদিয়া,ঘটিভাংগার হাজার হাজার জেলে,নীরব চাপা কষ্টে রয়েছে তার উপর সরকারি সাহায্য উধাও কুতুবজোম থেকে।
কক্সবাজার জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এর মধ্যে জেলায় জেলে কার্ড করা হয়েছে প্রায় ৪০হাজারের ও অধিক জজেলেদের,তাদেরকে মাথাপিছু মাসে ৪০ কেজি হারে চাউল দেওয়া হয়। এ ছাড়া স্বল্পসংখ্যক জেলেকে বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য এক কোটি ১৫ লাখ টাকার উপকরণ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক বিবেচনায় ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের দেওয়া তালিকার ভিত্তিতে বিকল্প কর্মসংস্থানের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। দরিদ্র অসহায় জেলেদের অনেকেই এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হলেও নানা রকমের ভয়ভীতির কারণে তারা মুখ খুলতে নারাজ।এ ব্যাপারে মহেশখালি জেলা মৎস্য কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।
অনেক জানান, জনপ্রতিনিধিদের তৈরি করা তালিকায় যাদের নাম এসেছে, সেই জেলেদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।ঘটিভাংগা গ্রামের মালিক সমিতির সভাপতি ও ইউপি সদস্য নুরুল আমিন খোকা জানান,বিষয়টি তিনি শুনেছেন তবে এখনো চেয়ারম্যান বা সরকারের কাছ থেকে কোন সংবাদ তিনি পাইনি,তবে কাছের এক মেম্বারের কাছ থেকে শুনেছেন কুতুবজোমে নাকি ৫০০কার্ড দিছে,মৎস্যজীবি সমিতি ১০০,আওয়ামীলীগ ১৫০,বাকিটা চেয়ারম্যান মেম্বারদের বরাদ্দ দিয়েছে তবে আদৌ কোনটা সত্য বুঝতেছেনা কারন জেলে আছে হাজার হাজার সহায়তা কার্ড নেই,যদি ও সরকারি তরফ থেকে সাহায্য এসে থাকে তবে হাওয়া কেন প্রশ্ন জনগনের।
