জুবায়ের সিদ্দিকী : দু:সময়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে থেকেও যারা ছিলেন এতদিন অবহেলিত। ছিলেন শুধু মিছিল ও সমাবেশে। স্লোগানে মুখরিত করেছেন রাজপথ। সেই সব ত্যাগী পরীক্ষিতদের স্থান দলে হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
গডফাদারদের মাসলম্যানরা যে সব পদপদবী দখল করে দখলবাজ ও বুর্জোয়াতন্ত্রের রাজনীতির চর্চা করে কমিশন খাওয়া, চাঁদাবাজি, ভোগদখল, টেন্ডারবাজি করে নেতৃত্ব দিয়েছেন নিজস্ব বলয় ও অনুসারীদের ম্যারাথন সমাবেশ ঘটিয়ে তাদের দিন শেষ হতে যাচ্ছে।
আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। আওয়ামী লীগ করোনাকালে মানুষের পাশে ছিল তবে স্থবির হয়ে পড়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম। আগষ্ট থেকে দলীয় কার্যক্রম সীমিত পরিসরে শুরু হয়। দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা তৃনমুলে ও জেলা-মহানগর কমিটিগুলোতে ’মাইম্যান’ নেতাদের জায়গা দলে না দিতে কড়া নির্দেশ দেন।
এ ছাড়া যে সব গডফাদার চামচা-চাটুকার পরিবেষ্টিত হয়ে রাজনীতি বানিজ্য করে ইতিমধ্যে কোটি কোটি টাকার পাহাড় গড়েছেন তাদেরও চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিচ্ছেন বলে কমিটির এক শীর্ষ নেতা জানান। ক্ষমতাসীনদলের মাসলম্যানরা দীর্ঘদিন ধরে রাাজনীতির মাঠে দলকে ব্যবহার করে রাজনীতি বাজিন্য করে এখন শত শত কোটি টাকার মালিক। এরাই দল, সমাজ, রাষ্ট্রকে ধোঁকাবাজি দিয়ে নিজেদের আঁখের গুছিয়েছেন।
