জুবায়ের সিদ্দিকী, সিটি নিউজঃ আমরা বাকরুদ্ধ। হতবাক। স্তম্ভিত। একুশ শতকেও এমন ঘটনা ঘটতে পারে ভাবতেও গা শিউরে ওঠে। পৃথিবীতে যেখানে নারী জাগরণ ঘটেছে। দেশের মানচিত্রে বর্বর হিংস্র দুর্বৃত্তের ভয়াল থাবা, আদিম উল্লাসের সাথে মিশে ছিল অসহায় এক গ্রামীণ নারীর আর্তনাদ। দুর্বৃত্তদের বাবা ডেকে সম্ভ্রম ভিক্ষা চেয়েছিলেন তিনি। না পাষন্ডের মন গলেনি। বিবস্ত্র করে এই নারীকে নির্যাতনের কালো রাতটি নেমে এসেছিল গত ২ অক্টোবর।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একলাসপুর জয়কৃষ্ণপুর গ্রামে। এই ঘটনায় বিচার না পেয়ে এমন ক্ষত, দগদগে থাবা ও ঘা নিয়ে বেড়াচ্ছিলেন ঔ গৃহবধূ। সেই রাতের হিংস্রতায় ওই নারীর আর্তচিৎকার যাদের কানে ভেসে গিয়েছিল। তাদেরও মুখ বন্ধ ছিল। এ ধরনের পাশবিকতা অমানবিকতা নিষ্ঠুরতাকে কিভাবে কে ব্যাখা করবে?
এতটাই বর্বর সমাজে আমরা বাস করি যে, এ বর্বরতাকে ঢেকে রাখার আর কোন সুযোগ নেই। কোন সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজে কি এটা ঘটতে পারে। এ ধরনের বর্বরতা, পাশবিকতা, যারা সংঘটিত করছে তারা দেশকে সভ্যতাকে, গণতন্ত্রকে গ্রাস করছে। আলোর দিকে না গিয়ে আমরা কি শুধু অন্ধকারের দিকে ধাবিত হব? সারাদেশে ধর্ষকের এই ঘটনায় মানুষ ধিক্কার ও নিন্দা জানায়। কিন্তু এর সমাধান কি?
