শীতের আগাম প্রস্তুতি

0

লাইফস্টাইল : কার্তিক মাস এসেছে দিন কয়েক আগেই। ছোট হয়ে এসেছে দিন। বেলা খানিক না গড়াতেই তড়িঘড়ি দিন ফুরিয়ে সন্ধ্যা। ভোরের হাওয়ায় বেশ একটা ঠাণ্ডা ভাব। আগাম শীতের ছোয়া গাছের পাতায়, পাখির গলায় এমনকি ত্বকেও । লাবণ্য হারিয়ে ত্বকে টানটান ভাব, ঠোঁটে শুষ্কতা। আবহাওয়াতে যেহেতু স্বাভাবিক আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকে সেহেতু ত্বকের ময়েশ্চার ক্রমাগত কমতে থাকে, দিনে দিনে ত্বক রুক্ষ ও মলিন বয়ে পড়ে। যাদের ত্বক সারাবছর শুষ্ক থাকে তাদের চাই শুধু শীত জেঁকে বসার আগে থেকেই একটু সচেতনতা। এ জন্য ঘরের জিনিস ব্যবহার করে কি উপায়ে ত্বকের যত্ন নেওয়া যায় দেখে নিন একনজরে।

কুসুম গরম পানি:  শীতে ঠাণ্ডা পানি ব্যবহারের পরিবর্তে হালকা কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন। বারবার হাত মুখ না ধুয়ে দিনে দু`বার হাত মুখ ধোয়ার সময় পানি ব্যবহার করুন।

ময়েশ্চারাইজার: যাদের ত্বক শুষ্ক তাদের জন্য ময়েশ্চারাইজিং অপরিহার্য। সকালে গোসলের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে মুখ পরিষ্কার করে ভারি ময়েশ্চারাইজার লাগাতে পারেন।  ভ্যাসলিন বা গ্লিসারিনের সাথে সমপরিমান পানি মিশিয়ে পায়ের গোড়ালি ও হাতের কনুইতে মাখুন।

মধু: রাতে শুতে যাওয়ার আগে দুধের সরের সাথে মধু মিশিয়ে হালকা ম্যাসাজ করে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। মধু, দই, ডিম, গাজরের রস একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর আলতো করে ঘষে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাবে ২ দিন ব্যবহার করলে ত্বকের শুষ্কতা কমে যাবে।

অলিভ অয়েল:  যাদের ত্বক শুষ্ক তারা শীতকালে অলিভ অয়েল হালকা গরম করে পুরো শরীরে ম্যাসাজ করতে পারেন। গোসলের পর এটি করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

দুধের সর: ঠোঁট নরম ও কোমল রাখতে কমলার রস মেখে কিছুক্ষণ রাখতে পারেন কিংবা দুধের সর দিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। ঠোঁটকে ফেটে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে হলে ভ্যাসলিন ব্যববার করতে পারেন। তবে চ্যাপস্কিক ও লিপ গ্লস বেশি উপকারী। এছাড়া অলিভ অয়েলের সাথে খানিকটা মধু মিশিয়ে ঠোঁটে ম্যাসাজ করলে ঠোঁট ফাটা থেকে পরিত্রান পাওয়া যাবে।

শাকসবজি:  ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য পানি খাওয়া খুব প্রয়োজন। শীতে প্রচুর শাকসবজি ও ফল খাওয়া ভালো। শীতের শাকসবজিতে প্রচুর পরিমানে এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা ত্বককে সুরক্ষা করে।

বিশুদ্ধ পানি: প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.