নিজস্ব প্রতিবেধক,উখিয়া : গত ২৮ সেপ্টেম্বর অপহৃত স্কুল ছাত্রী রুজিনা আক্তার মুন্নি প্রাইভেট থেকে বাড়ী ফেরার পথে অপহরণের শিকার হয় উখিয়া জালিয়াপালং ইউনিয়নের জুম্মাপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ কালু কন্যা রুজিনা আক্তার মুন্নি (১৫) দীর্ঘ ২ মাস পার হলেও উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃংখলা বাহিনী। মুন্নি পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী। এলাকার অপহর চক্রের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট মুন্নিকে দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে যাওয়া আসার সময় বিভিন্ন স্থানে গতিরোধ করে উত্তাক্ত করে আসত।
এলাকার স্হানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর জালিয়াপালং ইউনিয়নের জুম্মাপাড়া গ্রামের আমির হোছনের পুত্র আব্দুর রহিম (১৭) ও মৃত সোলাইমানের পুত্র আব্দুল গফুর সহ ৫/৬ জনে একটি অপহরণ দলের গডফাদাররা তাকে কোটবাজার ঝাউতলা নামক স্থান থেকে সিএনজি যোগে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহৃতের অসহায় পিতা মোহাম্মদ কালু বাদী হয়ে আমির হোছনের পুত্র আব্দুর রহিম (১৭), জমির উদ্দিন, আব্দুল জলিল ও সোলাইমানের পুত্র আব্দুল গফুরকে আসামী করে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুন্যালে মামলা দায়ের করে।
বর্তমানে জমির আহামদ কারাগারে থাকলেও অপরাপর আসামীরা ভিকটিমের পরিবার কে প্রকাশ্যে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে বলে ভিকটিমের পিতা মোহাম্মদ কালু সাংবাদিকদের অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে এনজিও সংস্থা হেলপ কক্সবাজার এর নির্বাহী পরিচালক আবুল কাশেম এম.এ জানান, মুন্নি অপহরণ হওয়ার পর আসামীদের বিরুদ্ধে আমাদের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে আমরা তদন্ত পূর্বক তাদের হাজীর হওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করি। কিন্তু নোটিশের তোয়াক্কা না করে আসামীগণ উল্টো ভিকটিমের পরিবারকে জানে মেরে ফেলার হুমকি দিতে থাকে। বর্তমানে মামলাটি উখিয়া থানা কে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রেরণ করা হয়েয়েছ বলে থানা সূত্রে জানা গেছে। অসহায় কালু অপরাধীদের গ্রেফতার পূর্বক শাস্তি প্রদানের জন্য উখিয়া থানা, সহকারী পুলিশ সুপার ও জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
