সিটিনিউজবিডি : আসন্ন পৌর নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হওয়ায় আশঙ্কায় রয়েছেন প্রার্থীরা। নানা চিন্তা-ভাবনা জট বাঁধছে তাদের মধ্যে। বিভিন্ন স্থান থেকে প্রার্থীরা অভিযোগ করেন, যেকোনো অজুহাতে নির্বাচনী কর্মকর্তারা তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিতে পারেন। বিশেষত বিএনপির প্রার্থীরা এমন অভিযোগ করেছেন।
আজ শনিবার সকাল ১০টা থেকে সারা দেশের সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। রোববার পর্যন্ত পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের জমা দেয়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।
প্রার্থীরা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে যেসব বিবরণ, ব্যাংকের কাগজপত্র, আয়কর বিভাগের টিআইএন নম্বর জমা দিয়েছেন সেগুলো সঠিক কি না তা যাচাই করে দেখা হচ্ছে।সারা দেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২৩৫টি পৌরসভার নির্বাচনে এক হাজার ২২৩ মেয়র পদপ্রার্থী, কাউন্সিলর পদপ্রার্থী নয় হাজার ৭৯৮ ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদপ্রার্থী দুই হাজার ৬৬৮ জন তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন এ পরিসংখ্যান প্রকাশ করে।
নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচারকাজ শুরু করতে পারবেন ৯ ডিসেম্বর থেকে। তবে প্রার্থীরা চাইলে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারবেন ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এরপর ১৪ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তা বৈধ প্রার্থীদের জন্য প্রতীক বরাদ্দ করবেন। এবারই প্রথম মেয়র পদপ্রার্থীরা দলীয় প্রতীক পাচ্ছেন। আগামী ৩০ ডিসেম্বর এসব পৌরসভায় মেয়র ও কাউন্সিলর পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবারই প্রথম রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ সমর্থন ও প্রতীক ব্যবহার করে পৌরসভার মেয়র পদে লড়বেন প্রার্থীরা।
গত ২৪ নভেম্বর দুপুরে পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ। এবার নির্বাচনী প্রচারের জন্য প্রার্থীরা ১৫ দিন সময় পাবেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনে এ মুহূর্তে ৪০টি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন রয়েছে।
এদিকে, হাইকোর্টের আদেশে মংলা পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত আছে। এ ছাড়া উচ্চ আদালত মানিকগঞ্জের সিংগাইর পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করলেও এই আদেশের কাগজপত্র না পৌঁছানোয় রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা নিয়েছেন।
