বিপরীত লিঙ্গের বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে দম্পতিদের করণীয়

0

লাইফস্টাইল : বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর পুরনো বন্ধুমহল থাকবেই। স্বামীর থাকতে পারে বান্ধবী আর স্ত্রীর ছেলে বন্ধুরা। কিন্তু এ নিয়ে নানা সমস্যা দেখা যায় দাম্পত্য জীবনে। অথচ পুরনো বন্ধুত্বের মাঝে নতুন কিছু না আসলেও ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। এখানে বিশেষজ্ঞরা এ সমস্যা থেকে বাঁচতে ৪টি নিয়মে নিজেদের বেঁধে নেওয়ার কথা বলেছেন। এগুলো জেনে নিন।

১. পরস্পর সাংঘর্ষিক কোনো চিন্তাধারা থাকবে না।’যদি সে পারে, আমিও পারবো’- এ চিন্তাধারা থেকেই মানুষ আশাবাদী হয়ে ওঠে। স্বামী তার বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলতেই পারে। কিন্তু কথা বলা মানেই যে সন্দেহজনক কিছু রয়েছে তা নয়। আবার স্বামী যেহেতু কথা বলতে পারে, কাজেই স্ত্রীও তার পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে দুজনে বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গে বন্ধুত্বের বিষয়ে কারো কোনো অভিযোগ থাকা উচিত নয়।

২. যৌক্তিক দেওয়াল সৃষ্টির বিষয়ে একমত হতে হবে। বিয়ের পরও বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গে বন্ধুত্ব অতি সাধারণ বিষয়। স্ত্রী যেমন কেবলমাত্র তার ছেলে বন্ধুর সঙ্গে কথা বলবেন তাই নয়, স্বামীকেও বান্ধবীদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে উৎসাহ জোগাবেন। এ নিয়ে যৌক্তিক ব্যাখ্যা তুলে ধরবেন।

৩. অনেক স্ত্রী তার স্বামীর মেয়ে বন্ধুদের বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন। কারণ স্বামীর প্রতি স্ত্রীর অগাধ বিশ্বাস কাজ করে। আবার স্ত্রীর বন্ধুদের সঙ্গেও স্বামীর বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। এ পরিস্থিতিতে এটা বলা যাবে না, স্বামী তার স্ত্রীর কোন কোন বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলতে পারবেন বা পারবেন না। আবার একই বিষয় স্ত্রীর জন্যেও প্রযোজ্য।

৪. একের সঙ্গে অপরের বন্ধুত্ব করিয়ে দিন। ধরুন, পুরনো কোনো মেয়ে বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তার স্বামী এবং নিজের স্ত্রীকেও নিমন্ত্রণ করুন। সবার সঙ্গে সবার বন্ধুত্ব করিয়ে দিন। এতে গোটা বিষয়টি খোলামেলা হবে। সন্দেহের কোনো অবকাশ নাই।

সূত্র : এমএসএন

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.