সিটিনিউজবিডিঃ বেসরকারি রফতানিকারকদের যুক্ত করে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে বহুল আলোচিত ‘জিটুজি প্লাস’ আজ সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে। সরকারি অনুমোদন পেলে মালয়েশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করবে বাংলাদেশ। আর এ চুক্তি হলে আগামী তিন বছরে দেশটিতে স্বল্প ব্যয়ে ১৫ লাখ পর্যন্ত কর্মী পাঠানোর সুযোগ থাকবে বাংলাদেশের জন্য। জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে সরকারি নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি রিত্রুক্রটিং এজেন্সিগুলো কর্মী পাঠাবে। কর্মীপ্রতি ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ লাগতে পারে।
এর আগে গত ৯ নভেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদনের জন্য জিটুজি প্লাস উত্থাপন করার কথা ছিল। মালয়েশিয়ার আপত্তির কারণে শেষ মুহূর্তে তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। মালয়েশিয়ার শর্ত ছিল, কর্মী ব্যবস্থাপনার কাজ অবশ্যই মালয়েশিয়ান প্রতিষ্ঠানকে দিতে হবে। এ শর্তের কারণে পিছিয়ে যায় জিটুজি প্লাস। তবে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নূরুল ইসলাম বিএসসি সমকালকে বলেন, ‘মালয়েশিয়ার কোনো শর্ত ছিল না। সমঝোতা স্মারকের খসড়ার বিভিন্ন দিক ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করতে সময় নেয় দুই দেশ।’ মালয়েশিয়ান প্রতিষ্ঠান বা কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কর্মী ব্যবস্থাপনার কাজ দেওয়া হবে না বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যেসব প্রতিষ্ঠানের অতীত রেকর্ড ভালো, তারা কাজ পাবে। সব রফতানিকারকই কর্মী পাঠানোর সুযোগ পাবে।’
গত বছরের জুনে মালয়েশিয়ান উপপ্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিদি বাংলাদেশ থেকে তিন বছরে ১৫ লাখ কর্মী নেওয়ার ঘোষণা দেন। তবে দেশটির শ্রমিক সংগঠনগুলো প্রবাসী কর্মী নেওয়ার বিরোধী। তাদের অভিযোগ, প্রবাসী কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে দুর্নীতির দ্বার খুলেছেন মালয়েশিয়ান রাজনীতিবিদরা। দেশটির গণমাধ্যমের খবর, মালয় উপপ্রধানমন্ত্রী কর্মী ব্যবস্থাপনার কাজ তার পারিবারিক প্রতিষ্ঠানকে দিতে চান। তিনি দাবি জানিয়ে বাংলাদেশের মন্ত্রীকে চিঠিও দিয়েছিলেন।
