গাজীপুর প্রতিনিধি : মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালের নার্স অ্যাসোসিয়েশন কর্মবিরতির ঘোষণা দেয়। শহীদ তাজ উদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে থাকা পুলিশের সন্দেহভাজন এক আসামি পালিয়ে যাওয়ায় ডিবি পুলিশের হাতে হাসপাতালের নার্স লাঞ্ছিত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে ডিবি পুলিশের একজন সহকারী উপপরিদর্শকসহ তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, ডিবি পুলিশ নলজানি এলাকার ইসমাইল খানের ছেলে রিফাতকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে গতকাল সোমবার রাতে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় হাসপাতালে সন্দেহভাজন অপর আসামি রানা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ডিবি সদস্যরা নার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবুল ফজলকে শারীরিক নির্যাতন করে।
পরে গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ হাসপাতালে এসে এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ ও ডিবি পুলিশের দায়ী সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। এ সময় গাজীপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. আলী হায়দার খানসহ নার্স নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তীতে এ ঘটনার জের ধরে গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মুশফিকুর রহমান ও দুই কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করা হয়।
শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মো. আবদুস ছালাম জানান, ডিবি পুলিশের এক এএসআই ও দুই কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করার পর হাসপাতালের নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ তুলে নিলে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়।
