মহেশখালির সন্তান সোহেল কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পাঠাগার সম্পাদক নির্বাচিত

0

“শিক্ষার সংগ্রামে আমরা সংহত

শান্তির সংগ্রামে আমরা ক্লান্তিহীন,

প্রগতির সংগ্রামে আমরা প্রাগ্রসর!!

জামাল জাহেদ, কক্সবাজারঃ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৮তম জাতীয় সম্মেলনের ৭মাস পর ঘোষিত পূর্নাঙ্গ কমিটির ৩০১জনের ফ্রেমে যোগ হলেন মহেশখালির মেধাবী কৃতি সন্তান,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার দা সূর্য সেন হলের ছাত্র সোহেল উদ্দিন। তিনি আগামী দু’বছর এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ ঐতিহ্যবাহী এ ছাত্র সংগঠনটির উপ পাঠাগার সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বিগত ২৭তম জাতীয় ছাত্রলীগের বিদায়ী কমিটির সাবেক সফল সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য ছিলেন।সোহেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস বিভাগ থেকে অনার্স মাস্টার্স শেষ করে ২য় আরেকটি বিষয়ে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত।

বর্তমান কমিটিতে সমগ্র চট্রগ্রাম বিভাগ থেকে মাত্র ৭জন তরুন ছাত্রনেতা স্থান পায়,তাদের মধ্যে অন্যতম সিনিয়র ছাত্রনেতা এবং সুন্দর সমার্জিত স্বচ্চ রাজনীতির কলাকৌশলে,কক্সবাজার ছাত্রলীগের বিভিন্ন দিকনির্দেশক দেখাশুনা করে প্রসংশনীয় যোগ্যতার প্রমান রেখেছে সমগ্র চট্রগ্রামের ছাত্ররাজনীতির চোখের সামনে। যার কারনে আজ বিরল সম্মান পেলো।সোহেল এর পরিচয় সুত্রে জানা যায়,তিনি মহেশখালি উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দু শুক্কুরের এর পুত্র,এবং সিএমপির চৌকস পুলিশ অফিসার রাশেদুল ইসলামের ছোট ভাই।কমিটি ঘোষনায় জানা যায়, সারা দেশের কাউন্সিলরদের প্রতক্ষ্যভোটের মাধ্যমে তাকে পাঠাগার সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

ছাত্রলীগের সারা দেশের ১শ ১১টি ইউনিটের কাউন্সিলররা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে পছন্দের প্রার্থীদেরকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন,পরে পুর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করা হয়।সব মিলিয়ে ভোটার ছিলেন ৩ সহাস্রধিক। নব নির্বাচিত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পাঠাগার সম্পাদক সোহেল উদ্দিন,মহেশখালি প্রখ্যাত মাধ্যমিক শিক্ষার কেন্দ্রস্থল কুতুবজোম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগে এসএসসি সমপন্ন করে,মহেশখালি বিদ্যাপীঠ মহেশখালি ডিগ্রী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে,প্রাচ্যের অক্সপোর্ট খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্ঞানগর্ভে পদচারণা শুরু করে।ছাত্র অবস্থায় তার বুকে লালিত স্বপ্ন উদিত হয়,ছাত্রদের নানা অধিকার আদায়ে বলিষ্ট ভুমিকা পালন করার গুপ্তবীজ।

সেই লক্ষ্যে সুদুর কক্সবাজার থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মতাদর্শে নিজেকে গড়ে তুলেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টু কক্সবাজার ছাত্রজনতার মাঝে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সেতুবন্ধন গড়ে তোলেন সোহেল।সবসময় নাড়ির টানে কক্সবাজার ছাত্রসমাজের খবর নিতেন। কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের কঠিন সময়ে দিকনির্দেশিত করতেন,নানা সামাজিক রাজনীতির মাঠে ময়দানে প্রসংশনীয় ভুমিকা পালন করেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মাস্টার দা সুর্যসেন হলের হাজার হাজার ছাত্র জনতার প্রান সোহেল,বিশ্ববিদ্যালয় হলে ছাত্রলীগের অধিকার ও ন্যায় সংগত সংগ্রামে একক অগ্রনী ভুমিকা পালন করে,সিনিয়র ছাত্রলীগ নেতাদের দৃষ্টি কাড়েন।সোহেলের চৌকস ছাত্ররাজনীতি, প্রজ্ঞা আর জ্ঞানে বিশ্ববিদ্যালয় সুর্য সেন হলে ছাত্রদের জাগিয়ে তুলেন নতুন এক উদ্দিপনায়,ছাত্রলীগের আদর্শে ছাত্রসংঘটককে সুসংগঠিত করে,সকলের প্রিয়ছাত্রনেতায় পরিনত হন ।

ডিজিটাল বাংলাদেশে বিনির্মানে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান বিশ্বের দরবারে।বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ শেষ করে যেকোন বিষয়ে গবেষক বা এমপিল করার মনস্থ করেন।তিনি বিশ্বাস করেন,ছাত্ররা দেশের প্রানরস।বাংলার ইতিহাস ছাত্রদের, বাংলার গৌরব ছাত্রদের হাতে সুতরাং ছাত্ররাই পারে সমাজ পরিবর্তনে মা মাটি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।দুনিয়া কাপানো মহান নেতা জাতির জনকের মতো,সাউথ অব দ্যা আর্থে ভুষিত,বিশ্বচিন্তাবিদ মহানেত্রী দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার হাতে দেশ নিরাপদ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সোহেলের কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কমিটিতে পাঠাগার সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার খবরে, কুতুবজোম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিএসসি ছৈয়দ নুর জনান,স্কুল জীবনে সোহেল ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ভদ্র আর বিনয়ী,স্কুল জীবনে তার মাঝে নেতৃত্বগুণ দেখেছেন তিনি।দোআ করেন যেনো দেশের হয়ে কিছ করে মহেশখালির নাম উজ্জল করে তিনি।সোহেলের এলাকার অনেক ছাত্রসমাজ আশা করেন অদুর ভবিষ্যতে এশিয়ার প্রখ্যাত ছাত্রসংঘটক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের অতিগুরুত্বপুর্ন পদে আসীন হওয় সোহেল।,যা সময়ের ব্যাপার মাত্র।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করে স্বাক্ষর করেন,সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।সোমবার রাতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।এর আগে এই কমিটির অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। সন্ধ্যায় গণভবনে এ কমিটি অনুমোদন দেন বলে গণমাধ্যম সুত্রে জানা যায়।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.