প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী’র মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নগরীতে সড়ক অবরোধ

নিজস্ব প্রতিবেধক :  চট্টগ্রাম নগরীর প্রবর্ত্তক মোড়ে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সড়ক অবরোধ করেছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা সড়কের পাশে থাকা দোকানপাট ও যানবাহনে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে।মঙ্গলবার দুপুর প্রায় তিনটা শতাধিক শিক্ষার্থী প্রবর্ত্তক মোড়ের চারপাশের সড়ক অবরোধ করে ফেলে।ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, শতাধিক শিক্ষার্থী সড়ক অবরোধ করে দাঁড়িয়েছে। এসময় তারা সড়কে থাকা সিএনজিসহ বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। এছাড়া লাঠিসোটা হাতে সড়কে পাশে থাকা বিভিন্ন দোকানগুলোতেও তারা ভাঙচুর চালাচ্ছে। ফলে ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

দুপুরে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধের ফলে রাস্তার চারপাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ।এর আগে দুপুর দেড়টার দিকে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের দামপাড়া ক্যাম্পাসে বিবিএর ৩১ তম ব্যাচের ফ্রেশার্স প্রোগ্রাম উপলক্ষে মহড়ার সময় কথা কাটাকাটির জের ধরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে।  এসময় ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন এমবিএ’র শিক্ষার্থী সোহেল আহমেদ। দুপুর আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।মারামারিতে আহত আরও দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।  তারা হলেন মো. ইমতিয়াজ ও রনি চন্দ্র শীল।

মঙ্লবার বিকেল ৫টায় নগরীর চেরাগীর পাহাড় মোড়ে ছা্ত্রলীগের একাংশ টায়ার জ্বালিয়ে,ককটেল ওকয়েকটি গাড়ী ভাংচুর করতেও দেগা গেছে।সেময় নগর আঃলীগ সাঃসম্পাদক ও মেয়র আ.জ.ম নাছির অফিস করে যাবার মুহুত্বেই ছা্ত্রলীগের নেতা কর্মীরা লাটি-সোটা হাতে নিয়ে মেয়রকে গিলে ধরে এর সুষ্ঠ বিচার দাবি করে ।পরে মেয়র চমেক হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান এবং নিহতের পরিবার কে সান্তনা জানান।মেয়র আগামী ২৪ঘন্টার মধ্যেই দোষিদের গ্রেপ্তারকরে আইনের আওতায় আনার জন্য বল্লে নগরীর অবরোধ তুলে নেন ছাত্ররা।আর ২৪ঘন্টার মধ্যে দোষিদের গ্রেপ্তার করতে না পারলে পরবর্তীতে ছা্ত্রলীগের একাংশ লাগাতার কর্মূসচি দিয়ে চট্রগ্রাম কে অচল করে দেয়ার ঘোষনা করেন ।এর আগে চেরাগী মোড়ে পরপর৩টি ককটেল বিষ্পোরিত হয় । তবে এতে কেউ হতাহত হননি।এসময় আশে-পাশের যান চলাচল বন্ধকরে ছাত্ররা তুমুল বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে ।

এ বিভাগের আরও খবর

Comments are closed.