জুবায়ের সিদ্দিকী/রুমেল রহমান : চট্টগ্রামে দু’নেতার মধ্যে অনাকাঙ্খিত ঘটনার পর চট্টগ্রাম সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা-সমলোচনা চলছে। সাধারণ মানুষ মনেকরে, এই ঘটনা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে রাজনৈতিক শিষ্টাচার। এটা জাতির জন্য লজ্জা।
যাদেরকে ভোটে নির্বাচিত করে জনগন এমপি-মন্ত্রি তৈরী করেছেন, যাদের বেতনের টাকা জোগায় এই দেশের মানুষ। জনগণের ট্যাক্সর টাকায় যারা এমপি-মন্ত্রিত্ব করছেন তাদের এমন কান্ড দুঃখজনক। এদিকে প্রবীন রাজনীতিবিদ ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেনের ওপর ডা. আফসারুল আমীনের ও তার অনুসারীদের চড়াও হওয়ায় ঘটনায় চট্টগ্রামে রাজনৈতিক মহলে ও জনগনের মধ্যে সমালোচনা চলছে। দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ এ ঘটনা মেনে নিতে পারছেননা।
একজন প্রবীন ও ত্যাগী নেতার উপর চড়াও হাওয়ার ঘটনা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে একটা খারাপ ও নষ্ট রাজনীতির দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এদিকে মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র বলেছেন, প্রকাশ্যে একটি সভায় ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেনের মতে একজন বয়োজোষ্ঠ ও প্রবীন নেতার দিকে তেড়ে যাওয়ার দুঃসহস দেখানোর ঘটনা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায়না। এটি ভাগের গন্ডগোল ও অপরাজনীতির কুফল। গতকাল সাংবাদিকদের তিনি বলেন, মোশারফ আফসারুল আগে এক ছিলেন, এখন কেন দু’জনই দুই মেরুতে চলে গেলেন তা বুঝা মুশকিল।
তিনি বলেন, এঘটনা রাজনীতিতে কোন বিষয় নয়। নগর আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে এর পেছনে কোন প্রভাব পড়বেনা। তিনি বলেন, এক-বিতর্কের যাই হোক তা হতে হবে শালীনতার মধ্যে। সাবেক মন্ত্রি ও বর্তমান মন্ত্রির মধ্যে যে ঘটনা ঘটেছে তার পুনরাবৃত্তি দেখতে চাইনা। এটি সামগ্রিক রাজনীতির অন্য অশনিসংকেত।
মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, সমপ্রতিক সময়ে অপরাজনীতি শুরু হয়েছে। রাজনীতিতে আগের মনোভাব নেই। নেতাদের মধ্যে। তৃনমূলে রাজনীতি করার প্রয়োজন মনে করছেনা, তদ্বির লবিং করলেই রাজনীতি না করেই পদ-পদবী পাওয়া যায়। এমপি-মন্ত্রি হওয়া যায়। এমন টেন্ড শুরু হওয়াতে রাজনীতিতে এখন শিষ্ঠাচার উঠে যাচ্ছে। কেউ কাউকে মানছেনা।

Comments are closed.