খেলাধুলা : বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত স্বাধীনতা কাপের দিনের প্রথম ম্যাচে মুসার হ্যাটট্রিকে উত্তর বারিধারার বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র। এই জয়ে চার ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে রইল বাংলার অলরেডরা। মুক্তিযোদ্ধার শেষ ম্যাচ শেখ জামালের বিপক্ষেই।
ঘরোয়া ফুটবলে এবার বিদেশি কোটা কমালেও গোল করেই যাচ্ছেন বিদেশি ফুটবলাররা। রাসেলের ফিকরু, জামালের ওয়েডসনের পর মৌসুমের তৃতীয় হ্যাটট্রিকও এলো বিদেশির মাধ্যমে। মুক্তিযোদ্ধা এবার মাঝারি মানের দল হলেও নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড কলো মুসার নৈপুণ্যে ভালো পারফরম্যান্স করছে তারা। মূলত মুসার কল্যাণেই ঢেকে যাচ্ছে দলের অন্য পজিশনগুলোর ভুল-ত্রুটি। স্ট্রাইকিং জোনে দুর্দান্তভাবে বল হোল্ড করে রাখায়, মাঝমাঠ ও রক্ষণভাগ নিজেদের গুছিয়ে নিতে পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছেন। চার ম্যাচে কলো মুসা পাঁচ গোলে মুক্তিযোদ্ধার আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। দুই প্রান্ত থেকে নাইজেরিয়ান এ স্ট্রাইকারকে সঙ্গ দিচ্ছেন দুই উইঙ্গার মোবারক ও তৌহিদুল আলম।
বারিধারার বিপক্ষে ১৭ মিনিটেই এগিয়ে যায় মুক্তি। বামপ্রান্ত থেকে তৌহিদের ক্রসে হেডে বল জালে পাঠান কলো মুসা। নিজের দ্বিতীয় গোলটি করতে ১৫ মিনিট সময় নেন মুসা, যে গোলটিতে ফুটে উঠেছে দুর্দান্ত এক স্ট্রাইকারের প্রতিচ্ছবি। বক্সের সামান্য বাইরে থেকে ব্যাক হেড করেছিলেন বারিধারার গিনিয়ান ডিফেন্ডার সিলা মোহাম্মেদ। সে বল বারিধারা গোলরক্ষক পোস্ট ছেড়ে বের হয়ে এসে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আগেই মুসা বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বারিধারা গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে পোস্টে জড়িয়ে দেন। গোল করা ছাড়াও মুসার প্রতিটি মুভেই সৃষ্টি হয়েছিল ভালো আক্রমণ।
দ্বিতীয়ার্ধ থেকে ফিরেই ৫৫ মিনিটে পূর্ণ করেন হ্যাটট্রিক। যা নতুন মৌসুমের তৃতীয় হ্যাটট্রিক। তৌহিদের জোরালো শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে আটকে দিয়েছিলেন বারিধারা গোলরক্ষক রাজিব। ফিরতি বলে আলতো ছোঁয়ায় হ্যাটট্রিক পূরণ করেন মুসা। মুসার হ্যাটট্রিকের দিনে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে নবাগত উত্তর বারিধারা স্বাধীনতা কাপ শেষ করল কোনো পয়েন্ট ছাড়াই।

Comments are closed.