খেলাধুলা : বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচন ভবনের সামনের ফটকে মানুষের ভীড়, কোরা হাতে ছোট খাটো প্লাকার্ড, কেউ কেউ হাল্কা স্লোগান দিচ্ছেন। খন্ড খন্ড আড্ডা জমিয়ে তুলেছে বাফুফে ভবনের আশ-পাশ। আর মাত্র ১০দিন পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সভাপতি পদে একের অধিক মনোয়োনপত্র কেনায় কে হবে বাফুফের নতুন সভাপতি তা নিয়ে জল্পনা কল্পনা চলছে। ১৩৪জন কাউন্সিলরের ভোটে নির্বাচিত হবেন নতুন সভাপতি। একদিকে যেমন ‘ফুটবল বাঁচাও’ আন্দোলনের ব্যানারে একপক্ষ কোমর বেধে মাঠে নেমেছে, অন্যদিকে গোলাম রাব্বানী হেলালের নেতৃত্বে এক পক্ষ নির্বাচনের পরিকল্পনা আটঁছে। এদের মধ্যে সভাপতি ও সদস্য প্রার্থী রয়েছেন। নরসিংদী আসনের স্বতন্ত্র সংসদ কামরুল আশরাফ, টঙ্গী ক্রীড়াচক্রের সভাপতি নুরুল ইসলামের পক্ষে বেশ কয়েকজন সাবেক ফুটবলার মাঠে নেমেছেন।
টাকার বিনিময়ে ভোট কেনার কথা অস্বীকার করেছেন তিনি। শুধু সভাপতি প্রার্থী নয়, সহ-সভাপতি প্রার্থীও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে। ফুটবল বাঁচাও আন্দোলনের অন্যতম নীতি নির্ধারক মঞ্জুর কাদের আশরাফ আহমেদ চুন্নু, আওয়ামীলীগের ক্রীড়া সম্পাদক দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুল এবং মোহামেডান ক্লাবের ডাইরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভুঁইয়াও এই পদে নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে। শেখ জামালের পরিচালক নজিব আহমেদও রয়েছেন এই তালিকায়।
কাজী সালাউদ্দিনের পাশে রয়েছেন সাবেক সভাপতি সালাম মুর্শেদী, শামছুর হক চৌধুরি, কাজী নাবিল, বাদল রায় ও ব্রাদার্স ক্লাবের সাধারন সম্পাদক মহিউদ্দিন মহি। এরা সবাই সহ-সভাপতি পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী। এদিকে স্বাধীন বাংলা ফুটবলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধাচারন করলেও গতকাল তিনি সুর পাল্টে ফেলেছেন। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘সভাপতি পদে এতগুলো প্রার্থী হয়েছে। যদি ফুটবলের কোন লোক এই পদে না দেখি তবে সালাউদ্দিন থাকাই ভালো।’
৩০ এপ্রিলের নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের আগে তাই কাউন্সিলরদেরও পড়তে হচ্ছে সমস্যায়। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাবটা বর্তমান সভাপতি সংবাদ সম্মেলন করে জানাবেন বলে কাল এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান।

Comments are closed.