জেল সুপারসহ ৩ জনের কাছে জবাব চান হাইকোর্ট

ঢাকা : জামিননামা দাখিলের পরও অর্থপাচার মামলার তিন আসামির কারামুক্তি কোন কর্তৃত্ববলে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে, তার ব্যাখ্যা চেয়েছেন হাইকোর্ট।

গত ৮ মে অর্থপাচারের এক মামলায় তিন আসামিকে জামিন দেন হাইকোর্ট। ১৬ মে জামিনামা কারাগারে পৌঁছে। কিন্তু এরপর আসামিদের মুক্তি না দিয়ে বলা হয়, অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড সুফিয়া খাতুন আসামিদের জামিনের বিরুদ্ধে আপিলের কথা জানিয়ে কারা কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়। এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবী রুহুল আমিন ভূইয়া ও আদিলুর রহমান খান বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আনেন।

আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবির, গাজীপুর কাশিমপুর কারাগার-১ এর জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা ও অ্যাডভোকেট অন-রেকর্ড সুফিয়া খাতুনকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি ফরিদ আহাম্মদ ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালত বলেছেন, ‘শুধু এই তিন আসামিই নয়, প্রতিদিনই অনেক আসামির কারামুক্তি বাধাগ্রস্থ করা হচ্ছে। এমন অভিযোগ আমরা প্রতিনিয়তই পাচ্ছি। আমাদের জামিননামা পাওয়ার পরও তাদেরকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। আপনারা হাইকোর্টের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। আপনাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

এর আগে গত ৫ জুন জামিননামা দাখিলের পরও অর্থপাচার মামলার তিন আসামির কারামুক্তি না দেওয়ায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবির, গাজীপুর কাশিমপুর কারাগার-১ এর জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা ও অ্যাডভোকেট অন রেকর্ডকে তলব করেন হাইকোর্ট। তলবের প্রেক্ষিতে আজ আদালতে হাজির হন এই তিন কর্মকর্তা।

এ বিভাগের আরও খবর

Comments are closed.