ঢাকা : সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা কী—এ বিষয়ে জানতে চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই দেশটি বাংলাদেশকে কী কী সহায়তা দিতে পারে, তারও একটি প্রস্তাব দিয়েছে।জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে সংঘটিত গুলশান ও কিশোরগঞ্জের জঙ্গি হামলার ঘটনায় বিদেশিসহ ৩০ জন নিহত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়াল ঢাকা পৌঁছান। তিনি রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির পক্ষ থেকে সন্ত্রাসবাদ এবং চরমপন্থার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের লড়াই এ যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা ও সমর্থনের প্রস্তাব নিয়ে আসেন।
নিশা দেশাই ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভীসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
এ প্রসঙ্গে সরকারের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, প্রতিটি বৈঠকে নিশা সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদ দমনে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, সে সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। নিশা দেশাই বাংলাদেশকে জানিয়ে গেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদ দমনে বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তদন্ত সংস্থা এফবিআই গুলশান হামলার তদন্তে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করছে। তারা এ বিষয়ে আরও যুক্ত হতে চায় বলে জানান আরেক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, নিশা দেশাইয়ের সঙ্গে বৈঠকে তথ্য আদান-প্রদানের ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিশা দেশাইও যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার বিষয়টি তাকে জানান।
বিভিন্ন সময়ে বিদেশিদের কাছ থেকে বাংলাদেশ যে গোয়েন্দা তথ্য পায়, তাতে অনেক সময় অস্পষ্টতা থাকে বলে ঢাকার পক্ষ থেকে জানানো হয়।

Comments are closed.