জুবায়ের সিদ্দিকী : এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার মামলার তদন্ত চলছে ধীরগতিতে। ২ মাস অতিবাহিত হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। হত্যার কারণ ও নির্দেশদাতা পুলিশের এখনও অজানা। তদন্তকারী কর্মকর্তা সাগরে হাতরাচ্ছেন। মুছা ও বাবুল আক্তারের চাকরী নিয়েও নানাজনের নানামত।
দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্ট এই ঘটনার কোন কুল কিনারা না হতেই দেশব্যাপী জঙ্গিবিরোধী অভিযান শুরু হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির সহকারী কমিশনার কামরুজ্জামান। হত্যাকান্ডে অংশ নেওয়া দু’আসামীকে আটক করে পুলিশ। এরা হলেন ওয়াসিম ও আনোয়ার। এরা এই হত্যাকান্ডের জড়িত ৭জনের নাম উল্লেখ করেন। বাকী ৫ জন হলেন, রাশেদ, নবী, শাহা জাহান, মুছা, কালু। তাদের মধ্যে হত্যাকান্ডের মূল হোতা মুছা। তারাই সন্ত্রাসীদের ভাড়া করেছে।
কার নির্দেশে এখন তা শুধু মুছাই বলতে পারে। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে ছিলেন ওয়াসিম, মুছা ও নবী। মাহামুদাকে ছুরিকাঘাত করেন নবী। ভোলা অস্ত্র সরবরাহ করেন। মুছা গুলি করে বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন। এই মামলার তদন্ত এগুচ্ছে না। হত্যার কারণ ও নির্দেশদাতা সর্ম্পকে কিছুই জানেনা পুলিশ।

Comments are closed.