মোঃ সাইফুল,রাঙামাটি প্রতিনিধি : রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এর অর্থায়নে ও রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে রাঙামাটিতে একটি পাহাড় একটি খামার কর্মসূচীর উপকারভোগী কৃষক-কৃষাণীদের ২দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচী শুরু হয়েছে।
বুধবার সকালে রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কক্ষে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ২দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর উদ্ধোধন করেন। এ সময় রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রমনী কান্তি চাকমা, অতিরিক্ত উপ-পিরচালক তপন কুমার পাল ও কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কৃষ্ণ প্রসাদ মল্লিক উপস্থিত ছিলেন।
উদ্ধোধনকালে প্রধান অতিথির বক্ত্যবে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রশিক্ষনার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এটি একটি পাইলট প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পাহাড়ে কৃষি, মৎস্য ও গবাদী পশু চাষ করে উন্নয়ন করা গেলে এ প্রকল্প দীর্ঘ মেয়াদী হবে। আপনাদের সফলতার উপরেই নির্ধারণ করবে আগামীতে এই প্রকল্প দীর্ঘ মেয়াদী হবে কি হবেনা। তাই এই প্রকল্পের মাধ্যমে পাহাড়ের পতিত জমি ও পুকুরগুলোকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে কৃষকরা নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারবে।
তিনি আরো বলেন, কৃষি উন্নয়নে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। কারণ এই সরকার কৃষি বান্ধব সরকার। কৃষি ঋণ প্রদান, ডিজেল, সার ও বিভিন্ন কৃষিপন্যে ভুতর্কী প্রদান করছে কৃষি উন্নয়নে। তিনি বলেন, সরকারী বা বেসরকারী চাকুরির দিকে তাকিয়ে না থেকে নিজেদের জমি ও পুকুরগুলোতে উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাষাবাদ করলে অন্য বেকার যুবকদের জন্যও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব। তিনি বলেন, বর্তমানে অন্যান্য জেলার ন্যয় পার্বত্যঅঞ্চলেও ভালো মানের ফল ফলাদি উৎপাদিত হচ্ছে। যা নিজ জেলার পুষ্টি চাহিদা মিটিয়ে অন্য জেলায়ও একটি ফরমালিন বিহীন ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। নিজের অভিজ্ঞতা ও সরকারের সুযোগ সুবিধাগুলোকে কাজে লাগিয়ে আতœনির্ভরশীল হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
প্রশিক্ষণে প্রকল্প কর্তৃক নির্ধারণ করা রাঙামাটি সদর উপজেলার বিলাইছড়ি পাড়ার প্রশিক্ষনার্থীরা অংগ্রহণ করে।
পরে অতিথিরা উপস্থিত প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করেন।
