সিটিনিউজবিডি : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর রশিদকে ফের জেরা করতে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের অনুমতি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট।
এছাড়া, যে নথিপত্র দেখে তদন্ত কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছিলেন তার কপিও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ খালেদা জিয়ার একটি আবেদনের নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দেন।
এদিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি (লিভ টু আপিল) পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
বর্তমানে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচার চলছে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদারের আদালতে।
ওই আদালতে ১৭ এপ্রিল মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর রশিদের পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণ এবং নথি তলবের দুটি পৃথক আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী। শুনানি শেষে আবেদন দুটি খারিজ করে দেন বিচারিক আদালত।
পরে এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দুটি ক্রিমিনাল রিভিশন আবেদন করেন, যা ১৫ মে হাইকোর্ট খারিজ করেন। গত ২৬ মে হাইকোর্টের আদেশের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে এর বিরুদ্ধে আজ লিভ টু আপিল আবেদন করলেন খালেদা জিয়া।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে আসা ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় এই মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য চার আসামি হলেন তার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব, বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। পরের বছরের ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিচার শুরু হয়।
