দিলীপ তালুকদার : দুদক চট্টগ্রাম-১ এর উপ-সহকারী পরিচালক রইসউদ্দিন আহম্মদের বিরুদ্ধে প্রায় ১৪ লাখ টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে তদন্তে নেমেছে স্বীয় প্রতিষ্ঠান দুদক।
জানা গেছে, আশুলিয়া এলাকায় রইসউদ্দিনের নির্মানাধীন ১০তলা ভবনের জন্য ফারহানা ইঞ্জিনিয়ারিং নামে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১৩ লাখ ৪০ হাজার টাকার মালামাল ক্রয় করেন গত বছর নভেম্বরে। নগদ টাকা না দিলেও তিনমাস পর তিনি গত জানুয়ারী থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ৩টি চেক দেন। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পান্থপথ শাখার নামে চেক গুলো ইস্যু হলেও ওই হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় সব গুলো চেক ডিজঅনার করে দেয় ব্যাংক। বারবার তাগাদা দেয়া সত্বেও টাকা পরিশোধ না করায় ফারহানা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কর্ণধার নজরুল ইসলাম দুদকে অভিযোগ করেন।
দুদক সূত্র জানায়, দুদক কর্মকর্তা রইসউদ্দিনের বিরুদ্ধে পাওয়া অভিযোগ আমলে নিয়ে কমিশনের উপ-পরিচালক (পরিদর্শক) এস এম মফিদুল ইসলামকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ উঠেছিল। এ কারনে ২/৩ বার দুদক কর্তৃপক্ষ রইসউদ্দিন কে তিরস্কারও করেন।
জানা গেছে, রাজধানীর রাজারবাগে একটি ৫তলা ভবন রয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের দুর্নীতি পরায়ণ কর্মকর্তা দুর্নীতিবাজ রইস উদ্দিন আহম্মদের।
