সাদা মনের মানুষ হতে হবে : এমপি চিনু

0

মোঃ সাইফুল উদ্দীন, রাঙামাটি প্রতিনিধি : রাঙামাটির মহিলা সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু বলেন, আমরা এমন একজন জেলা প্রশাসক পেয়ে ছিলাম যিনি নিজে সব সময় হাস্যজ্জ্বল ছিলেন আর তার কাছে ব্যস্ততার মাঝেও যখনই কেউ সাহায্যের জন্য গিয়েছিলেন তাকে মুখ কালো করে কখনো ফেরত আসতে হয়নি। আমি মাঝে মাঝে জেলা প্রশাসকে জিজ্ঞাসা করতাম আপনার মাঝে কি কোন ক্লান্তি নেই? আমাদের এই জেলা প্রশাসক’র মত সবাইকে নিজের জীবন গঠন করতে হবে। পরিক্ষায় জিপিএ ৫ পেলে হবে না, সাদা মনের মানুষ হতে হবে।

সোমবার রাঙামাটি পাবলিক কলেজের পক্ষ থেকে রাঙামাটির বিদায়ী জেলা প্রশাসক ও পাবলিক কলেজের সভাপতি মোঃ সামসুল আরেফিনের জন্য আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাঙামাটি পাবলিক কলেজের অধ্যক্ষ তাছাদ্দিক হোসেন কবীরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এইসব কথা বলেন।
বিদায় সংবর্ধনার গেস্ট অব অনার ছিলেন রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা, অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ, পাবলিক কলেজের দাতা সদস্য আবু সাহাদৎ মো: সাঈম, রানী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রণতোষ মল্লিকসহ কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী প্রতিনিধিবৃন্দ।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোঃ সামসুল আরেফিন বলেন,আগে চট্রগ্রাম জেলার অধিনেই এই জেলা ছিল তাই আমি দুরে কোথাও যাচ্ছি না আমি আপনাদের পাশেই আছি। রাঙামাটি থেকে অন্য কোথাও যেতে হলে চট্রগ্রাম জেলার উপর দিয়েই যেতে হবে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা এবং সিংগাপুরের নয়গুন আয়তন নিয়ে গঠিত এই জেলার অতি উর্বর মাটি যে মাটিতে যে কোন ফল উৎপাদন সম্ভব আর যার মাধ্যমে রাঙামাটিকে দেশের মধ্যে একটি ফল ভান্ডারে পরিণত করা সম্ভব। আর সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে রাঙামাটির আগামী প্রজন্ম সিংগাপুরের মাথাপিছু ৪০লক্ষ টাকা আয়কেও পিছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে আমি মনে করি।
বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিদায়ী জেলা প্রশাসককে কলেজের পক্ষ থেকে কিছু ছবি ও ফনি মনসা গাছ উপহার দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক শিক্ষার্থীদের বীর মুক্তিযোদ্ধা বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ এবং শহীদ আব্দুল আলীর জীবনী গ্রন্থ শিক্ষার্থীদের উপহার দেন। বিদায় অনুষ্ঠানের পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.