নতুন স্বর্গের চূড়ায় তামিম

0

খেলাধুলা : গত মার্চেই যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করেছেন। গত বছর টেস্টে একটি ডাবল সেঞ্চুরিও আছে। গত এপ্রিলে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করা সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন টাইগার তামিম।

তাঁর ওপেনিং পার্টনার সৌম্য সরকার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ছিলেন ফ্লপ। আফগানিস্তান সিরিজও সাতক্ষীরার তরুণের জন্য ব্যর্থতায় শেষ হলেও তামিমের ব্যাটে হেসেছে রান। ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর থেকেই তাঁর ব্যাটে নিয়মিতই বড় ইনিংসের দেখা মিলছে। এই বছর দেড়েকের মধ্যেই টেস্টে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি, একই ওয়ানডে সিরিজে দুটি সেঞ্চুরি এবং টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি যেন পূর্ণ মহিমায় প্রস্ফুটিত তামিমকেই তুলে ধরছে।

কাল অবশ্য শুরুতে মুখোমুখি হওয়া নবম বলেই মিড অনে যে ক্যাচটি দিয়েছিলেন, সেটিকে হাতের মোয়া বললেও অত্যুক্তি হয় না। কিন্তু আফগান অধিনায়ক আসগর স্টানিকজাইয়ের মাখনগলা হাত জমাতে পারল না বলটি। তামিমের রান তখন মাত্র ১। জীবন ফিরে পেয়েই খোলস ছেড়ে বেরোলেন তামিম। তাঁর ব্যাটের ঝাঁজটা সবার আগে টের পেলেন মিরওয়াইস আশরাফ। আগের ওভারেই সৌম্য সরকারকে ফেরানো আশরাফের দ্বিতীয় ওভারে মারা তিন চারেই ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন, দিনের বাকি সময়টা কী হতে যাচ্ছে। ১৯তম ওভারেই পেয়ে গেলেন নিজের ৩৪তম ওয়ানডে ফিফটি।

চোখজুড়ানো সব শট আর সাবলীল ব্যাটিংয়ে ধীরে ধীরে সাজিয়ে নিয়েছেন নিজের ইনিংসটা। সাব্বির রহমানকে সঙ্গী করে দলের জন্য গড়েছেন বড় জয়ের ভিত। দওলত জাদরানের বলটা লেগ সাইডে আলতো ঠেলে দিয়েই দৌড়। উদ্যাপনটা হলো খুব সাধারণ। অথচ উপলক্ষটা বড়ই ছিল। অন্য প্রান্ত থেকে দৌড়ে আসা সাকিবকে পেরিয়ে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির একক মালিক এখন শুধু তামিমই।

তাঁর সপ্তম সেঞ্চুরিটা অবশ্য খুব বড় হতে পারল না। দিনের সেরা শটটিই শেষ স্কোরিং শট হয়ে গেল, পরের ওভারেই মোহাম্মদ নবীকে লং অফ দিয়ে তৃতীয় ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ফিরলেন তামিম। ১১৮ বলে ঠিক ১১৮ রান করে। তামিম-ঝড়ের পূর্ণরূপ না দেখার অতৃপ্তিটা তাই রয়েই গেল। কিছুটা অতৃপ্তি থাকা অবশ্য ভালো। ইংল্যান্ড সিরিজেও অতৃপ্ত তামিমকে যে বড় দরকার হবে বাংলাদেশের!

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.