সিটিনিউজবিডি : প্রাথমিক ও অষ্টম শ্রেণির বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভর্তি ফিসহ বিভিন্ন ফি নেয়া কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এই ফি নেয়ার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। শিক্ষাসচিব ও শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সরকারকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সোমবার বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই রুল দেন।
গত ৩ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিকে ‘বৃত্তিপ্রাপ্তদের কাছ থেকেও টিউশন ফি আদায়!’ শিরোনামে গত ৩ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিষয়টি সোমবার আদালতের নজরে আনেন আইনজীবী মো. আমির হোসেন। শুনানি নিয়ে আদালত রুল দেন।
আমির হোসেন জানান, এ বছরের ২৪ মে শিক্ষা বোর্ডের জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সব মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ পাবে। প্রতিবেদনে এসেছে, এই নির্দেশনা অনুসরণ না করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পুরো মাসিক বেতন বা টিউশন ফি নিচ্ছে। এটি ওই নির্দেশনার পরিপন্থী।
