জসিম উদ্দিন টিপু ,টেকনাফঃ টেকনাফে রঙ্গিখালী’ এলিট এ্যাকোয়া কালচার “মৎস্য খামার” পরিদর্শন করলেন মৎস্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা। সরেজমিনে পরিদর্শন করে জানাযায়, ১৬জুন মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে খামার পরিদর্শনের অংশ হিসেবে জাতীয় মৎস্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধিগন জেলার বড় মৎস্য খামার “এলিট এ্যাকোয়া কালচার” পরিদর্শন আসেন।
মৎস্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা খামারের বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে কার্য্যক্রমের উপর সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, দেশের দক্ষিণে অবস্হিত এলিট এ্যাকোয়া কালচার অপরাপর মৎস্য খামারীদের এখাতে উদ্ধুদ্ধ করছে। অনেক তরুণ উদ্যোক্ত প্রকল্পটি অনুসরণ করে মৎস্য চাষের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। মৎস্য খাতের উন্নয়নে আগামীতে এলিট খামার আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এসময় উপস্হিত ছিলেন, ঢাকা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম, কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অমিতোষ সেন, মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুজিত চ্যাটার্জী, টেকনাফ ডিএসটিসির সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান, উপজেলা সিঃ মৎস্য কর্মকর্তা সৈয়দ হুমায়ুন মোর্শেদ, এলিটের কর্ণধার শিল্পপতি এইচ.কে. আনোয়ার সিআইপি, প্রজেক্ট ম্যানেজার সরওয়ার কামাল ও সাংবাদিক জসিম উদ্দিন টিপু প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ১১৫ একর জমিতে বড় বড় ৪৫টি দীঘিতে “এলিট এ্যাকুয়া কালচার” মৎস্য খামারটি ১৯৯১সন থেকে প্রতিষ্টিত। “এলিট” জাতীয় পর্যায়ে তিন তিন বার প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদক পান।
