সিটিনিউজবিডি : গতকাল ১৪ অক্টোবর শুক্রবার বিকাল ৪ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ রক্ষা আন্দোলনের অগ্রপথিক, ভাষা সংগ্রামী, আজীবন বিপ্লবী, কালো টাকা সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার কন্ঠস্বর কমরেড নুরুল হক মেহেদীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্মরনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
নাগরিক পরিষদের আহবায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কমরেড নুরুল হক মেহেদী স্মরণ সভা জাতীয় কমিটির আহবায়ক সর্বজন শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক সভাপতিত্ব করেন ।
বক্তব্য রাখেন সিপিবি’র প্রেসিডিয়াম সদস্য শামসুজ্জামান সেলিম, পিডিবি’র মহাসচিব এহসানুল হক সেলিম, বাম চিন্তাবিদ হাসান ফখরী, সংযুক্ত শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোকাদ্দেম হোসেন, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুর রাজ্জাক, ঐক্য ন্যাপের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশিদ ভূঞা, প্রবীণ শ্রমিক নেতা সিদ্দিকুল ইসলাম, ন্যাপ নেতা আব্দুল গাফ্ফার খান, গণতান্ত্রিক কর্মী শিবির নেতা ইঞ্জিঃ মোজাহারুল হক শহীদ, সিএলএনবি’র চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ, অগ্নিবীণার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এইচ.এম সিরাজ, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডাঃ শামসুল আলম, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি: এ.এ.এম ফয়েজ হোসেন, মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ প্রমুখ।
বক্তাগন তাদের বক্তব্যে বলেন, প্রয়াত কমরেড নুরুল হক মেহেদী মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রম করে গেছেন। মানুষের জন্য তার ত্যাগ অনুসরনীয় ও অনুকরন যোগ্য। তিনি তার লেখনী ও আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ, বিদ্যুৎ এবং জাতীয় সম্পদের উপর বিদেশী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জাতিকে সজাগ করে তোলেন। বৃহত্তর নোয়াখালীতে প্রথম শহীদ মিনার নির্মানে তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিলেন। দরিদ্রের আবাসন সংকট নিরসনে তার গণকলোনী আন্দোলনের চাপে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকার কামালবাগ, ইসলামবাগ কলোনী নির্মানে বাধ্য হয়।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক লেখক, প্রকাশক, ব্লগারের হত্যা গুম, খুন সহ যে সকল বিষয়ে জনগনের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে তা নিরসনে সরকারকে সাগর রুনী, রাজীব, দীপনসহ সকল হত্যা গুম খুনের শ্বেতপত্র প্রকাশের আহবান জানান।
তিনি বলেন, বিশ্বে সন্ত্রাস জঙ্গীদের জন্য দায়ী। মধ্যপ্রাচ্য, ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, এশিয়ার দেশগুলো মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো ও বিদেশী বাহিনীর আক্রমন ও অবস্থান। তাই বিশ্ব শান্তি এ অস্থিতিশীলতা নিরসনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে মার্কিন, ন্যাটো ও বিদেশী বাহিনী অপসারনের আহবান জানান।
বিদেশী বাহিনীর আক্রমন ও অবস্থানের বিরুদ্ধে দেশ প্রেমিক, জাতীয়তাবাদী ও আঞ্চলিক প্রতিরোধ সংগ্রাম বিশেষ জঙ্গীবাদ বলে তলিয়ে গিয়েছে।
তিনি কমরেড মেহেদীর জীবন, আত্মত্যাগ, ও বিপ্লবী কর্মকান্ডের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ও ঐক্যবোধ সংগ্রামে আপোষহীন বলে প্রকাশ করেন।
