ব্যাংক সূত্র জানায়,পাহাড়তলী শাখা থেকে আসলাম চৌধুরীর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মেসার্স ৭/বি এসোসিয়েটসের নামে লোন নেয়া হয়েছিল।নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না করে সুদাসলে তা ১৪৮ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়।পরবর্তীতে ব্যাংক অর্থঋন আদালতে মামলা করে।আদালতের বিধান অনুসারে তার বন্ধকী সম্পত্তি নিলামে তুলছে।সীতাকুন্ড উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৮.৩৩ একর জমি বন্ধক দেয়া হয়েছিল।আগামী ২৬ অক্টোবর নিলামের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
জানা গেছে,আসলাম চৌধূরীর এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পূবালী ব্যাংাক ও চেক প্রতারনার দায়ে ৮টি মামলা করে।২০১৪ সালের শুরু থেকে পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে ঐ মামলাগুলো করে পূবালী ব্যাংক সিডিএ কর্পোরেট শাখা।জানা গেছে,বি এন পির কেন্দ্রীয় নেতা আসলাম চৌধুরী তার ও তার পরিবারের মালিকানাধীণ মেসার্স রাইজিং গ্রুপ অব কোম্পানীর অধীনে অন্তত ৩০টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।তার এসমস্থ প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ট ব্যাংক ছাড়াও আরও প্রায় ১১টি ব্যাংক থেকে ঋন নিয়েছে এসব প্রতিষ্ঠান।নগরীল বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বিশাল অংকের ঋন নেয়া হয়েছে।ঋনের নামে নেয়া এসমস্ত টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকও মামলা করেছে।এবি ব্যাংক আগ্রাবাদ শাখা থেকে ৩৫০ কোটি টাকার ঋণ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে।বিএনপির কেন্দ্রীয় এ নেতা বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন।তার রাজনৈতিক উত্থান সম্পর্কেও মুখরোচক আলোচনা রয়েছে চট্টগ্রামে।চট্টগ্রামের অনেক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, টাকা দিয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবের পদ কিনেছেন আসলাম চৌধুরী।তার বিরুদ্ধে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এজেন্টের সাতে হাত মিলিয়ে বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গুলশান থানার র্ষ্ট্রাদ্রোহের মামলা রয়েছে।
