খেলাধুলা : বার্সেলোনার বিপক্ষে জয় পেলো পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি। মঙ্গলবার রাতে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে পিছিয়ে থেকেও বার্সার বিপক্ষে ৩-১ গোলের দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে ম্যানসিটি।
মঙ্গলবার রাতে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলে কোচ গুয়ার্দিওলার ভাষায় ‘ফাইনাল’ খেলতে নামা স্বাগতিকরা। একাদশ মিনিটে বার্সেলোনার ডি-বক্সে সামুয়েল উমতিতির বাধায় পড়ে যান রাহিম স্টার্লিং। তবে উল্টো তাকে হলুদ কার্ড দেখতে হয় ডাইভ দেওয়ার অভিযোগে।
প্রতিআক্রমণ থেকে লিওনেল মেসির বার্সেলোনা এগিয়ে যায় ২১তম মিনিটে। বার্সেলোনার ডি-বক্সের কাছ থেকে শুরুটা মেসির পা থেকেই। বাঁয়ে নেইমারকে লম্বা পাস দিয়ে কেবল এগিয়েছেন প্রতিপক্ষের ডি-বক্সের দিকে। নেইমারের ফেরত পাঠানো বল নিয়ন্ত্রণ নিতে নিতেই ডি-বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের শটে জালে পাঠান আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে বার্সাকে আতিথিয়েতা দেয়া সিটিজেনরা এরপর ম্যাচে ফিরতে চেষ্টা করে। খেলার ৩৯ মিনিটের মাথায় জার্মান মিডফিল্ডার গুনডোগানের গোলে সমতায় ফেরে সিটি। রাহিম স্টারলিংয়ের অ্যাসিস্ট থেকে গোলটি করেন তিনি।
প্রথমার্ধে ১-১ গোলে সমতায় থাকলেও বিরতির পর খেলার ৫১ মিনিটের মাথায় বার্সার জালে বল ঢুকিয়ে দলকে লিড পাইয়ে দেন ম্যানসিটির বেলজিয়ান তারকা ডি ব্রুইন। ম্যাচের ৭৪ মিনিটের মাথায় আর্জেন্টাইন তারকা সার্জিও আগুয়েরোর অ্যাসিস্ট থেকে দলের তৃতীয় আর নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন গুনডোগান। ফলে ৩-১ গোলে এগিয়ে থেকে ম্যাচ শেষ করে ম্যানসিটি।
অবশ্য হেরেও গ্রুপ ‘সি’তে চার ম্যাচে নয় পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে বার্সাই। সমান ম্যাচে সাত পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে সিটিজেনরা। বার্সা ও ম্যানসিটি চ্যাম্পিয়নস লিগে এর আগে পাঁচবার মুখোমুখি হয়। সেই পাঁচবারই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল স্প্যানিশ জায়ান্টরা। মেসিরা এ সময় গোল হজম করেছিল মাত্র দু’টি। আর এই ম্যাচে বার্সার বিপক্ষে জয় খরা কাটানোর পাশাপাশি সিটিজেনরা এক ম্যাচেই বার্সার জাল কাঁপিয়েছে তিন বার।
