দিলীপ তালুকদার : আমেরিকায় হিলারির পতনে ডেমোক্রেটদের কান্নার আওয়াজ সারা বিশ্বে ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে।আর এদিকে ডেমোক্রেট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের পরাজয়ে বাংলাদেশেও কিছু কিছু সমর্থকের মনে কান্না ধরে রাখতে পারেনি।সেটা রাজনৈতিক দলেও দেখা গেছে।হিলারির পরাজয়ে বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোটে হতাশার শুর শোনা যাচ্ছে।বিএনপির বদ্ধমুল ধারনা ছিল হিলারিই জিতবেন।সুদুর আমেরিকাতে দলীয় একটি গ্রুপ পাঠিয়েছিলেন বাঙালি অ্রধ্যু্যিত এলাকায় প্রচারনা চালানোর জন্য।সেখানে ছিলেন ডঃ মোহাম্মদ ইউনুচও।বিএনপি ধরেই নিয়েছিলেন হিলারী জিতবেন।তাই আমেরিকাতে বেগম খালেদা জিয়া ও হিলারির যৌথ ছবি দিয়ে প্লেকার্ড হাতে নিয়ে্ বিএনপি সমর্থকরা হিলারির পক্ষে প্রচারনা চালিয়েছেন।জানা গেছে,বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে অগ্রীম মিষ্টিও আনা হয়েছিল রেজাল্টের পর সবাইকে মিষ্টি মুখ করিয়ে সেলিব্রেট করার জন্য।কিন্তু বরাবরই বিদেশী নেতার ধর্নাধারী বিএনপি হিলারির পরাজয়ে বড় ধরনের হোঁচট খেযেছেন।তাদের মধ্যেও কান্নার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে।
এদিকে নির্বাচনী ফল ঘোষনায় একেকটি কেন্দ্রের ফল ডেমোক্রেট শিবিরে ধাক্কা দিয়ে গেছে। ডেমোক্রেটিক সদর দফতরে নেমে আসে পিনপতন নীরবতা। মার্কিন টেলিভিশনের প্রজেক্টে লাল রঙের টালির সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ডেমোক্রেট সমর্থকরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রথমদিকে হিলারি ক্লিনটন এগিয়ে থাকলেও শেষ হাসি হাসলেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। তা মেনে নিতে কষ্ট হয়েছে হিলারির সমর্থকদের। নিমিষেই বদলে যায় নিউইয়র্কে হিলারির প্রচারণা সদর দফতরের পরিবেশ। তার সমর্থকরা কাঁদছেন। বিষন্ন মনে ফিরে যাচ্ছেন বাড়িতে। বুকে জড়িয়ে তাদের সান্ত্বনা দিতে দেখা গেছে হিলারিকে।
এটিই ছিল ফল ঘোষণার আগে হিলারির টুইট অবস্থান। তবে ট্রাম্পের জয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে অভিনন্দন জানানো ছাড়া কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি তিনি। হিলারি কোনো মন্তব্য না করলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের ভাবাবেগ প্রকাশ করছেন তার সমর্থকরা। জেমস ভনডার ব্রেক টুইটে লেখেন, আমরা পরিবর্তন চেয়েছিলাম, কিন্তু তা আর হল না। বেথ বেহরেস লেখেন, কেউ কখনও চিন্তা করেনি, এক রাতেই যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির কবর হবে। ভিভিকা ফক্স লেখেন, আমার অন্তর সত্যিই অনেক ব্যথিত। পরাজয় মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে।
