বশির আল মামুন, চকরিয়া : চকরিয়া উপজেলার হারবাং বাস স্টেশন-বাজার সড়কে হারবাং ছড়ার উপরে নড়েবড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকির মধ্যে যাতায়াত করছে স্থানীয় জনসাধারণ, স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসায় পড়ুয়া শতশত শিক্ষার্থী। বাজার সংলগ্ন হারবাং ছড়া খালের উপর বৃটিশ আমলের একটি পুরাতন সেতু ভেংগে নতুন সেতু নির্মাণ করাতে মানুষের হাটা চলায় এখন চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
চকরিয়া এলজিইডির অর্থায়নে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হারবাং ইউনিয়নে স্টেশন থেকে বাজার সড়কের হারবাং খালের উপর নতুন দুটি সেতু নির্মাণের কাজ চলছে প্রায় চার মাস পূর্বে। নিয়ম রয়েছে পুরাতন সেতু ভেংগে তার পার্শ্বে জনগনের চলাচলের জন্য বিকল্প সেতু করে দিয়ে নতুন ব্রিজ নির্মাণ কাজ শুরু করার। কিন্তু ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জনগণের চলাচলের জন্য টেকসই বিকল্প সেতু নির্মাণ না করাতে বর্তমানে বাঁশের একটি নড়েবড়ে বিকল্প সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকির মধ্যে চলাচল করছে তারা। এ অবস্থায় ইউনিয়নের স্কুল-কলেজ-মাদরাসা পড়ুয়া শত শত শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষের যাতায়াতে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় হারবাং ইউনিয়ন উচ্চবিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল আহসান বুলবুল বলেন, বর্তমানে সারাদেশে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা চলছে। হারবাং ইউনিয়ন উচ্চবিদ্যালয়ে স্থানীয় প্রশাসন এবছর জেএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র চালু করেছে। ফলে পরীক্ষা শুরুর দিন থেকে আশপাশের এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ পরীক্ষার্থী ওই সাঁকো দিয়ে পরীক্ষা হলে আসতে গিয়ে ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। একইভাবে চলাচল করতে গিয়ে গত চারমাস ধরে চরম দুর্ভোগে রয়েছে ইউনিয়নের স্কুল-কলেজ-মাদরাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী সহ হাজারো মানুষ।
তিনি বলেন, জনগণের স্বাভাবিক চলাচল অব্যাহত রাখতে একটি টেকসই বিকল্প সেতু নির্মাণ না করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি সড়কের দুটি পুরাতন সেতু ভেঙে নতুন করে নির্মাণ কাজ শুরু করেছে। এমন কি নির্মান কাজ চালানো হচ্ছে অত্যন্ত ধীর গতিতে।
এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
চকরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. আমিন উল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণ যাতে স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে, সেইজন্য সহসা সাঁকোটি মেরামতের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠাকে নির্দেশ দেয়া হবে।
