মো. দেলোয়ার হোসেন, চন্দনাইশ : চন্দনাইশে পাবলিক লাইব্রেরীটি নির্মাণের পর থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। নেই বই, নেই আসবাবপত্র, নেই জনবল। নব নির্মিত লাইব্রেরী ভবনে সামনের বারান্দায় গড়ে উঠেছে চায়ের দোকান। দেখার যেন কেউ নেই।
উপজেলা গেইটের ভিতরে সাবেক হারলা ইউনিয়ন পরিষদের সম্মুখে দৃষ্টিনন্দন পাবলিক লাইব্রেরীটি ২০১১-১২ অর্থ বছরে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়। সুশিক্ষিত জাতি গঠনে সরকার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে পাবলিক লাইব্রেরী নির্মাণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় চন্দনাইশের এ পাবলিক লাইব্রেরীটি নির্মাণ করা হয়। চন্দনাইশের এ পাবলিক লাইব্রেরীটি নির্মাণের পর থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পাঠাগারে নেই কোন আসবাবপত্র, নেই বই, নেই পাঠক ও লেখকদের পদচারণা। ময়লা-আবর্জনা ও মাকড়সার জালে ভরে গেছে সবকটির দেয়াল ও কক্ষ। চন্দনাইশ পাবলিক লাইব্রেরীর এ করুণদশা যেন দেখার কেউ নাই। ভবনটি নির্মাণের পর থেকে মূল ফটকে ঝুলছে তালা। কেউ যেন জানে না ভিতরের কি অবস্থা। বিগত তিন বছর আগে এলাকার শিক্ষিত যুব সমাজ ও রুচিশীল পাঠকের জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল এ পাবলিক লাইব্রেরীটি। তদারকি না থাকায় লাইব্রেরীর মূল ফটকে বসে চায়ের স্টল। তাছাড়া এ ভবনের পাশে কোন রকম পৌরসভার অনুমতি ব্যতিরেকে দ্বিতল বিশিষ্ট একটি দোকানও নির্মাণ করা হয়।
এ ব্যাপারে পৌর মেয়র আলহাজ্ব মাহাবুবুল আলম খোকা বলেছেন, এ ভবনে নির্মাণে পৌরসভার জায়গায় করা হলেও অনুমোদনের কোন কাগজপত্র দপ্তরে নেই। পৌরসভার আঙিনায় এ ধরনের অপরিকল্পিতভাবে ভবন নির্মাণ কোনভাবেই সমীচীন নয়। পৌরসভার এ জরাজীর্ণ এবং অবৈধ দোকানগুলো ভেঙ্গে একটি আধুনিক পৌর মার্কেট নির্মাণ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
