পার্বত্যাঞ্চলকে অসাম্প্রদায়িক সুখের-শান্তির নীড় তৈরি করতে হবে : এমপি চিনু

0

মো: সাইফুল উদ্দীন, রাঙামাটি : ‘এসো মিলি সবে নবান্নের উৎসবে’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য আয়োজনে রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে নবান্ন উৎসব।

মঙ্গলবার সকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নবান্ন উৎসবের আয়োজন করা হয়। এই উৎসবের সার্বিক সহযোগিতা করনে আশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র, বিআইডিডি, ব্র্যাকসহ অন্যন্যা এনজিও সমূহ।

নবান্ন উৎসব উপলক্ষে রাঙামাটি পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে ফিতা কেটে নবান্ন উৎসবের উদ্বোধন করেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মো. মানজারুল মান্নান। এসময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়।

আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক মো. মানজারুল মান্নানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবু শাহেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) মাহবুবুল নবী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু বলেন, বাংলার সকল উৎসব হচ্ছে বাঙালীদের মিলন মেলা। এই উৎসব গুলোতে সকলে একসাথে পালন করার মাধ্যমে অন্য রকম একটি পরিবেশ সৃষ্টি হয়। সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বজার রাখার মাধ্যমে আমাদের সকল উৎসব পালন করাতে হবে এবং এই দেশে বসবাস করতে হবে। পার্বত্যাঞ্চলকে অসাম্প্রদায়িক সুখের-শান্তির নীড় তৈরি করতে সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. মানজারুল মান্নান বলেন, নবান্ন উৎসব বাঙালির ঐতিহ্যের উৎসব। এসব অনুষ্ঠান আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের সংস্কৃতি। এটাই বাঙালিদের শেকড়। আমরা আমাদের শেকড় থেকে দূরে সরে এসেছি। তাই তো দেশে সাম্প্রদায়িকতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা করছে। আমাদেরকে আমাদের শেকড় টিকিয়ে রাখতে হবে।

তিনি আরো বলেন, গ্রাম বাংলায় আগে এসব উৎসব দেখা যেতো কিন্তু কিছুদিন আগেও এই উৎসব গুলো প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিলো। তাই বর্তমান সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা করে, বিভিন্ন ভাবে এই সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখতে সার্বিক কাজ করে যাচ্ছে।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.