বোয়ালখালীতে হুমকির মুখে ছাত্রীর জীবন

0

বাবর মুনাফ : বোয়ালখালীতে শিক্ষক কর্তৃক শ্লীলতাহানি করা হয়েছে নিয়ে এলাকায় এক হট্টগোল সৃষ্টি হয়েছে। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীর জীবন।

আজ বুধবার সকালে বিষয়টি নিয়ে ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শফিউল আজম শেফু ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের সাথে কথা বলতে গেলে এ সময় উৎসুক জনতা বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ভীড় জমায়। অনেকে বিষয়টি সত্যি ভেবে নিয়ে ওই শিক্ষকের শাস্তি দাবি করেন। আবার অনেকেই এটিকে প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয় থেকে বিতাড়িত করার দীর্ঘ দিনের ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করেন।

স্থানীয়রা জানান, গত দুইদিন ধরে এ নিয়ে একের পর এক ফেসবুক ষ্ট্যাটাস দিয়ে ওই শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক-শিক্ষার্থীদের জন্য লজ্জাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়টির সামনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকেই শংকা প্রকাশ করছে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শফিউল আজম শেফু বলেন, যেই শিক্ষার্থীকে নিয়ে অপপ্রচার হয়েছে সেই শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা এটি গুঞ্জন বলে দাবি করেছে। এই অপপ্রচারের ফলে বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্ন ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর মা শামীমা আকতার বলেন, আমার মেয়ে কোনো সমস্যা হলে সবার আগে আমিই জানতাম। কিন্তু আমি জানি না অথচ আমার মেয়েকে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে কিছু লোকজন। এতে ঘর থেকে বের হওয়া দায় হয়ে পড়েছেন।

কধুরখীল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইদ্রিস বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি তদন্ত করার নির্দেশ দেন। তদন্ত করে পাওয়া গেছে বিদ্যালয়ের কমিটি নিয়ে দ্বন্ধ থাকায় এ ধরণের অপপ্রচার চালানো হয়েছে। বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে বিতাড়িত করা জন্য এটি ষড়যন্ত্রের অংশ। তবে যে বিষয়টি ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে জড়িয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য নয়।

বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সালাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এ ধরণের কোনো অভিযোগ পাইনি। তাছাড়া কারো সর্ম্পকে না জেনে, না শুনে মন্তব্য করে একটি মেয়ের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা যাবে না। আমি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি নই।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.